ইসলামে নারীরা ও তালাক দিতে পারে।
ভূমিকা:
একটি প্রশ্ন বারবার উঠে আসে — ইসলামে কি শুধু পুরুষই তালাক দিতে পারে? নারীর কি কোনো অধিকার নেই? এই প্রশ্নটি যতটা সরল মনে হয়, উত্তরটি ততটা নয়। ক্লাসিক্যাল ইসলামিক ফিকহের গভীরে গেলে দেখা যায়, বিষয়টি আসলে অনেক বেশি সূক্ষ্ম ও বহুস্তরীয়।
এই লেখায় আমরা চার মাজহাবের মূল গ্রন্থ, হাদিসের সনদ বিশ্লেষণ এবং আধুনিক ফিকহের আলোকে সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজব — ।
প্রথম কথা: তালাক কি আসলেই কাম্য?
ফিকহের আলোচনায় প্রবেশের আগে একটি মৌলিক প্রসঙ্গ স্পষ্ট করা দরকার।
তালাক ইসলামে হালাল, কিন্তু কাম্য নয়। একটি হাদিসে বলা হয়েছে:
"আল্লাহর নিকট সবচেয়ে অপ্রিয় হালাল বিষয় হলো তালাক।"
তবে এই হাদিসের সনদ প্রশ্নবিদ্ধ। ইমাম আবু দাউদ (সুনান আবু দাউদ, হা/২১৭৮) এটি বর্ণনা করেছেন, কিন্তু মুহাদ্দিসগণ এর সনদকে দুর্বল (যঈফ) বলেছেন।¹ শায়খ উছায়মীন (রহ.) বলেছেন:
"হাদিসটির সনদ সহিহ নয়, কিন্তু মর্ম সঠিক — কারণ আল্লাহ তালাককে অপছন্দ করেন, যদিও জাতির কল্যাণে তা বৈধ রেখেছেন।"²
অর্থাৎ, তালাক একটি শেষ আশ্রয় — পারিবারিক সংকটের চূড়ান্ত সমাধান, নিয়মিত ব্যবহারের হাতিয়ার নয়।
তালাকের ফিকহি শ্রেণিবিভাগ
ক্লাসিক্যাল ফিকহে তালাক মূলত পাঁচটি ভিন্ন পদ্ধতিতে সংঘটিত হতে পারে। এই পাঁচটি পদ্ধতির প্রতিটিতে নারী ও পুরুষের ভূমিকা আলাদা।
১. তালাকে মুবারাত — উভয়ের সম্মতিতে বিচ্ছেদ:
মুবারাত (مُبَارَاة) অর্থ পারস্পরিক মুক্তি। যখন স্বামী-স্ত্রী উভয়েই বুঝতে পারেন যে সংসার আর সম্ভব নয়, তখন উভয়ের সম্মতিতে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে।
এই ক্ষেত্রে কোনো পক্ষই অপর পক্ষের প্রতি দোষারোপ না করে শান্তিপূর্ণভাবে আলাদা হয়ে যান।
রেফারেন্স: ইবনে কুদামা, আল-মুগনি, খণ্ড ৭, পৃ. ৩২৩; ইবনে রুশদ, বিদায়াতুল মুজতাহিদ, খণ্ড ২, পৃ. ২৬৩।³
২. তালাক — স্বামীর একক অধিকার:
এটি সবচেয়ে পরিচিত পদ্ধতি, যেখানে স্বামী একতরফাভাবে তালাক দিতে পারেন। তবে এর সাথে বেশ কিছু আর্থিক দায়িত্ব যুক্ত:
- স্ত্রীর মোহর সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে হবে
- ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ দিতে হবে
- স্ত্রীকে প্রদত্ত উপহার ফেরত চাওয়া যাবে না
রেফারেন্স: সূরা বাকারা, ২:২৩১-২৩২; সূরা তালাক, ৬৫:১-২। কাসানি, বাদায়ি আস-সানায়ি, খণ্ড ৩, পৃ. ৯৮; ইমাম শাফেয়ি, আল-উম্ম, খণ্ড ৫, পৃ. ২৫৫।⁴
৩. তাফউইয বা ইসমা — অর্পিত তালাকের অধিকার:
এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আলোচিত পদ্ধতি। যদি বিয়ের চুক্তিতে (নিকাহনামায়) স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে, তাহলে স্ত্রী নিজেই স্বামীকে তালাক দিতে পারেন — কোনো আদালত বা মধ্যস্থতা ছাড়াই।
এটিকে তাফউইযুত তালাক (تَفْوِيض الطَّلاَق) বলা হয়। আরবিতে "ইসমা" (عِصْمَة) শব্দটি বিবাহ বন্ধনের চাবিকাঠি বোঝায়, যা এই ক্ষেত্রে স্ত্রীর হাতে অর্পণ করা হয়।
ব্যবহারিক গুরুত্ব: বাংলাদেশের কাবিননামার ১৮নং কলাম এই অধিকার সংরক্ষণের জায়গা — কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ বিয়েতে এটি পূরণ করা হয় না।
রেফারেন্স: ইবনে আবিদীন, রদ্দুল মুহতার আলা দুররিল মুখতার, খণ্ড ৩, পৃ. ২৩৮; ড. ওয়াহবা আয-যুহাইলি, আল-ফিকহুল ইসলামি ওয়া আদিল্লাতুহু, খণ্ড ৯, পৃ. ৬৯৭৫।⁵
৪. ফাসখুন নিকাহ — বিচারিক বিচ্ছেদ:
যখন স্বামী স্ত্রীর সাথে অন্যায় আচরণ করে, ভরণপোষণ না দেয়, বা দাম্পত্য কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হয় — তখন স্ত্রী আদালতে আবেদন করতে পারেন এবং বিচারক (কাজী) বিবাহ বাতিল করতে পারেন।
এই পদ্ধতিকে ফাসখুন নিকাহ (فَسْخُ النِّكَاح) বলা হয়। যে কারণগুলোতে ফাসখ প্রযোজ্য:
- শারীরিক অক্ষমতা বা নপুংসকতা
- দীর্ঘ অনুপস্থিতি বা নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া
- মারাত্মক মারধর বা শারীরিক নির্যাতন
- ভরণপোষণ না দেওয়া
- ইসলাম ত্যাগ
মালিকি মাজহাব (মুদাওয়ানা) এবং হাম্বলি মাজহাব (আল-মুগনি) এ বিষয়ে সবচেয়ে বিস্তৃত বিধান রেখেছে। হানাফি মাজহাব তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ কিন্তু মূল বিধান একই।
রেফারেন্স: ইবনে কুদামা, আল-মুগনি, খণ্ড ৭, পৃ. ৪৫৩-৪৬০; ইমাম মালিক, আল-মুদাওয়ানা, খণ্ড ২, পৃ. ২৫০; শিরাজি, আল-মুহাযযাব, খণ্ড ২, পৃ. ৭১।⁶
৫. খুল' — স্ত্রীর নিজস্ব উদ্যোগে বিচ্ছেদ:
এটি নারীর সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তিগত অধিকার। খুল' (خُلْع) অর্থ পৃথক হওয়া বা খুলে ফেলা।
এই পদ্ধতিতে স্ত্রী তার মোহর বা অন্য কোনো ক্ষতিপূরণ স্বামীকে ফিরিয়ে দিয়ে বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন। স্বামী নেককার হলেও, কোনো বিশেষ অভিযোগ না থাকলেও — শুধু ব্যক্তিগত অসামঞ্জস্যতার কারণেও এটি প্রযোজ্য।
এই বিষয়ে একটি সরাসরি হাদিসি প্রমাণ পাওয়া যায়।
খুল'-এর হাদিসি ভিত্তি:
সহিহ বুখারিতে (হা/৫২৭৩) বর্ণিত আছে, সাবিত বিন কায়েস (রা.)-এর স্ত্রী রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে বললেন:
"হে আল্লাহর রাসূল! থাবিত বিন কায়েসের চরিত্র বা দ্বীনদারি নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই। কিন্তু আমি আশঙ্কা করছি যে আমি আল্লাহর দেওয়া অনুগ্রহের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকতে পারব না (অর্থাৎ তার স্বামীর প্রতি যথাযথ কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হব)।"
রাসূলুল্লাহ (সা.) জিজ্ঞেস করলেন: "তুমি কি তার বাগানটি ফিরিয়ে দিতে রাজি?" সে বলল: "হ্যাঁ।" তখন নবী (সা.) থাবিতকে বললেন: "বাগানটি গ্রহণ করো এবং তাকে এক তালাক দাও।"
রেফারেন্স:
- সহিহ বুখারি, কিতাবুত তালাক, হা/৫২৭৩
- সুনান নাসাঈ, কিতাবুত তালাক, হা/৩৪৯৭
- সুনান আবু দাউদ, হা/২২২৯
- ইবনে মাজাহ, হা/২০৫৬ (উদ্ধৃত হাদিস নং ২০০ ও ২৪৮৩ সংখ্যাগুলো অনুবাদক-সংকলনের নম্বর)⁷
এই স্ত্রীর নাম নিয়ে হাদিসশাস্ত্রে মতভেদ আছে। কোনো বর্ণনায় জামিলা, কোনোটিতে হাবিবা বিনতে সাহল। ইমাম নববি (রহ.) তাঁর শারহ মুসলিম-এ (খণ্ড ১০, পৃ. ৯) এই মতভেদ বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।⁸
চার মাজহাবের দৃষ্টিভঙ্গি: কোথায় মিল, কোথায় পার্থক্য:
চার মাজহাবের মধ্যে মূল বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও বিস্তারিত বিধানে পার্থক্য আছে।
| মাজহাব | খুল'-এ স্বামীর সম্মতি | কাজীর ফাসখ ক্ষমতা | মূল গ্রন্থ | |---|---|---|---| | হানাফি | আবশ্যক | সীমিত কারণে | হেদায়া, রদ্দুল মুহতার | | মালিকি | অত্যাচারের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় | ব্যাপক | মুদাওয়ানা, বিদায়াতুল মুজতাহিদ | | শাফেয়ি | সাধারণত আবশ্যক | মধ্যমপন্থী | আল-উম্ম, মিনহাজুত তালিবিন | | হাম্বলি | যথেষ্ট কারণে অপ্রয়োজনীয় | বিস্তৃত | আল-মুগনি, আল-ইনসাফ |
রেফারেন্স: মার্জিনানি, আল-হেদায়া ফি শারহিল বিদায়া, (বৈরুত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়া, ২০০০), খণ্ড ২, পৃ. ১১২; ইমাম মালিক, আল-মুদাওয়ানাতুল কুবরা, খণ্ড ২; ইমাম শাফেয়ি, আল-উম্ম, খণ্ড ৫; ইবনে কুদামা, আল-মুগনি, খণ্ড ৭।⁹
আধুনিক ইসলামিক ফিকহ কী বলছে:
কেবল প্রাচীন গ্রন্থ নয়, সমকালীন শীর্ষ ফকিহগণও এই বিষয়ে স্পষ্ট মত দিয়েছেন।
ড. ওয়াহবা আয-যুহাইলি তাঁর বিশ্বখ্যাত গ্রন্থে লিখেছেন, খুল' নারীর একটি স্বীকৃত শরঈ অধিকার এবং আধুনিক রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো এই অধিকার আইনিভাবে কার্যকর করা।¹⁰
ড. ইউসুফ আল-কারযাভি তাঁর হালাল ওয়াল হারাম ফিল ইসলাম-এ বলেছেন, মালিকি মাজহাবের নীতি অনুযায়ী কাজী স্বামীর সম্মতি ছাড়াও বিচ্ছেদ দিতে পারেন — এবং এটিই বাস্তবে নারীর অধিকার রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর পথ।¹¹
মিশরের দারুল ইফতা এবং সৌদি আরবের হাইআতুল কিবারিল উলামা উভয়ই স্বীকার করেছে, স্ত্রীর কষ্টের যথেষ্ট প্রমাণ থাকলে বিচারক তালাক বাস্তবায়নে বাধ্য করতে পারেন।
একটি সৎ স্বীকারোক্তি: বাস্তবের সমস্যা:
তাত্ত্বিক আলোচনার পাশাপাশি একটি কঠিন বাস্তবতাও স্বীকার করা জরুরি।
শরিয়ার এই পাঁচটি পদ্ধতি বিদ্যমান থাকলেও বাস্তব জীবনে নারীরা প্রায়ই এই অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকেন:
- অনেক আলেম ও কাজী নারীর আবেদনকে গুরুত্ব দেন না
- মারধর বা নির্যাতনের প্রমাণ দেওয়া অত্যন্ত কঠিন
- তাফউইযের শর্ত নিকাহনামায় লেখা হয় না বলে বেশিরভাগ নারী এই অধিকার থেকে বঞ্চিত
- খুল'র জন্য স্বামীর সম্মতি না পেলে আইনি লড়াই দীর্ঘমেয়াদি হয়
এই সমস্যাগুলো ইসলামের বিধানের দুর্বলতা নয় — এগুলো বাস্তবায়নের ব্যর্থতা, যা সংশোধনযোগ্য। শরিয়া আইনের পরিপূর্ণ প্রয়োগ হলে এ সমস্যা গুলো থাকবে না ।
কিছু আলোচনায় বলা হয়, নারীকে সরাসরি তালাকের অধিকার না দেওয়ার কারণ হলো নারীরা "চঞ্চলমতি।" এই যুক্তিটি ক্লাসিক্যাল ফিকহের কিছু গ্রন্থে দেখা গেলেও এটি একটি সাংস্কৃতিক ব্যাখ্যা — কুরআন বা সহিহ হাদিসের স্পষ্ট দলিল নয়।
আধুনিক ফকিহগণ ক্লাসিক্যাল সকল মত কে সমন্বয় করে বলেন, তালাকে স্বামীর প্রাথমিক অধিকারের প্রধান কারণ হলো:
- বিবাহে স্বামীর আর্থিক দায়িত্ব (মোহর ও ভরণপোষণ)
- তিন তালাকের বিধানে চিন্তার সময় দেওয়া
- পারিবারিক স্থিতিশীলতা রক্ষা
নারীর চরিত্রের কোনো ধরনের সাধারণীকরণ এই বিধানের ন্যায়সঙ্গত ভিত্তি নয় ।
সারসংক্ষেপ:
ইসলামে নারীর তালাকের অধিকার আছে — এটি কুরআন, সহিহ হাদিস এবং চার মাজহাবের সম্মিলিত অবস্থান। তবে এই অধিকার বিভিন্ন শর্ত ও পদ্ধতিতে প্রযোজ্য, যার সঠিক জ্ঞান থাকা জরুরি।
সমস্যা ইসলামের বিধানে নয় — সমস্যা হলো এই বিধানের সঠিক প্রচার, প্রশিক্ষণ ও বাস্তবায়নের অভাবে।
পাদটীকা ও একাডেমিক রেফারেন্স:
¹ আবু দাউদ, সুনান আবু দাউদ, কিতাবুত তালাক, হা/২১৭৮; আলবানি, যঈফুল জামে', হা/৪৪; ইবনে হাজার আসকালানি, তালখিসুল হাবির, খণ্ড ৩, পৃ. ২০৪।
² উছায়মীন, মুহাম্মাদ বিন সালিহ, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ, সংখ্যা ৫৫, প্রশ্ন ১০ (রিয়াদ: মাকতাবাতুর রিয়াদ, ১৪১৬ হি.)।
³ ইবনে কুদামা, মুওয়াফফাক আদ-দীন, আল-মুগনি ওয়াশ শারহুল কাবির (বৈরুত: দারুল কিতাবিল আরাবি, ১৯৭২), খণ্ড ৭, পৃ. ৩২৩; ইবনে রুশদ, মুহাম্মাদ বিন আহমাদ, বিদায়াতুল মুজতাহিদ ওয়া নিহায়াতুল মুকতাসিদ (বৈরুত: দারুল মারিফাহ, ১৯৯৭), খণ্ড ২, পৃ. ২৬৩।
⁴ কাসানি, আলাউদ্দিন, বাদায়ি আস-সানায়ি ফি তারতিবিশ শারায়ি (বৈরুত: দারুল কিতাবিল আরাবি, ১৯৮২), খণ্ড ৩, পৃ. ৯৮; শাফেয়ি, মুহাম্মাদ ইদ্রিস, আল-উম্ম (বৈরুত: দারুল মারিফাহ, ১৯৯০), খণ্ড ৫, পৃ. ২৫৫; কুরআন, সূরা বাকারা, ২:২৩১-২৩২; সূরা তালাক, ৬৫:১-২।
⁵ ইবনে আবিদীন, মুহাম্মাদ আমিন, রদ্দুল মুহতার আলা দুররিল মুখতার (বৈরুত: দারুল ফিকর, ১৯৯২), খণ্ড ৩, পৃ. ২৩৮; যুহাইলি, ওয়াহবা, আল-ফিকহুল ইসলামি ওয়া আদিল্লাতুহু (দামেস্ক: দারুল ফিকর, ১৯৮৯), খণ্ড ৯, পৃ. ৬৯৭৫।
⁶ ইবনে কুদামা, আল-মুগনি, খণ্ড ৭, পৃ. ৪৫৩-৪৬০; ইমাম মালিক, আল-মুদাওয়ানাতুল কুবরা, সম্পাদনা: সাইদ মুহাম্মাদ লাহহাম (বৈরুত: দারুল ফিকর, ১৯৯৪), খণ্ড ২, পৃ. ২৫০; শিরাজি, ইবরাহিম বিন আলি, আল-মুহাযযাব ফি ফিকহিল ইমামিশ শাফেয়ি (বৈরুত: দারুল ফিকর, ১৯৯৪), খণ্ড ২, পৃ. ৭১।
⁷ বুখারি, মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল, সহিহ আল-বুখারি, কিতাবুত তালাক, বাব আল-খুল', হা/৫২৭৩ (বৈরুত: দারু ইবনে কাছির, ১৯৮৭); নাসাঈ, আহমাদ বিন শুআইব, সুনান আন-নাসাঈ, কিতাবুত তালাক, হা/৩৪৯৭ (হালাব: মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়া, ১৯৮৬); আবু দাউদ, সুনান, হা/২২২৯; ইবনে মাজাহ, মুহাম্মাদ বিন ইয়াজিদ, সুনান ইবনে মাজাহ, কিতাবুত তালাক, হা/২০৫৬ (বৈরুত: দারুল ফিকর, তা.বি.)।
⁸ নববি, ইয়াহইয়া বিন শারফ, শারহ সহিহ মুসলিম (বৈরুত: দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবি, ১৩৯২ হি.), খণ্ড ১০, পৃ. ৯; আসকালানি, ইবনে হাজার, ফাতহুল বারি শারহ সহিহিল বুখারি (বৈরুত: দারুল মারিফাহ, ১৩৭৯ হি.), খণ্ড ৯, পৃ. ৩৯৫-৩৯৬।
⁹ মার্জিনানি, আলি বিন আবি বাকর, আল-হেদায়া ফি শারহিল বিদায়া (বৈরুত: দারুল কুতুবিল ইলমিয়া, ২০০০), খণ্ড ২, পৃ. ১১২; ইমাম মালিক, আল-মুদাওয়ানা, খণ্ড ২; ইমাম শাফেয়ি, আল-উম্ম, খণ্ড ৫; ইবনে কুদামা, আল-মুগনি, খণ্ড ৭; মারদাউই, আলাউদ্দিন, আল-ইনসাফ ফি মারিফাতির রাজিহ মিনাল খিলাফ (বৈরুত: দারু ইহইয়াইত তুরাসিল আরাবি, ১৯৮৬), খণ্ড ৮।
¹⁰ যুহাইলি, ওয়াহবা, আল-ফিকহুল ইসলামি ওয়া আদিল্লাতুহু (দামেস্ক: দারুল ফিকর, ১৯৮৯), খণ্ড ৯, পৃ. ৬৯৭৫-৬৯৮০।
¹¹ কারযাভি, ইউসুফ, আল-হালাল ওয়াল হারাম ফিল ইসলাম (বৈরুত: আল-মাকতাবুল ইসলামি, ১৯৮০), পৃ. ২৪৫-২৫০; আরও দেখুন: দোই, আবদুর রহমান, শারিয়া: দ্য ইসলামিক ল' (লন্ডন: টা-হা পাবলিশার্স, ১৯৮৪), পৃ. ১৯২।
আল্লাহ সকলকে সত্যকে জানার ও মানার তৌফিক দান করুন। আমিন।
মন্তব্য