ইসলাম সম্পর্কে সাধারণ অভিযোগ সমূহের জবাব

ইসলামে জোরপূর্বক ব্যভিচারকে ধর্ষণ বলা হয়। ব্যভিচার বা ধর্ষন খুবই নিকৃষ্ট একটি কাজ। ব্যভিচার ও ধর্ষণ এর শাস্তি নিয়ে অনেক হাদিস রয়েছে। আমি এ সম্পর্কে ৩৪২টির ও অধিক হাদিস খুঁজে পেয়েছি । হয়তো আরো আছে। সব হাদিস এখানে উল্লেখ করা সম্ভব না। ইসলামে ধর্ষনের শাস্তি (রজম) পাথর ছুড়ে মৃত্যুদন্ড। তবে বিবাহিত ও অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে ভিন্ন শাস্তি।  কোআনের এ বিষয়ে বলা হয়েছে :- আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ। (সূরা: বনী ইসরাঈল, আয়াত: ৩২) ব্যভিচারী পুরুষ কেবল ব্যভিচারিণী নারী অথবা ম....
10 Min read
Read more
  হুকুম শব্দের অর্থ হলো নির্দেশ। আল্লাহﷻ‎  কখনোই অপরাধ বা খারাপ কাজের নির্দেশ দেন না অথচ । আল্লাহﷻ‎ বলেন, “... আল্লাহ মন্দ কাজের আদেশ দেন না। তোমরা এমন কথা আল্লাহর প্রতি কেন আরোপ কর, যা তোমরা জানো না? ” [১]   আল্লাহﷻ‎ হলেন সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা। পাপ কিংবা পূণ্য – মানুষের সকল কর্মও আল্লাহর সৃষ্টি। পৃথিবীতে যা ঘটে এবং মানুষ যা করে – এগুলোর সবগুলোই আল্লাহর অনুমতিক্রমে বা ইচ্ছায় হয়।  আল্লাহ তা’আলার ইচ্ছা দুই ধরনের হতে পারে। যথা: ১। কাউনিয়্যাহ ২। শারইয়্যাহ    💠কাউনিয়্যাহ: এ ধরণের ইচ্ছা দ্বারা আ....
14 Min read
Read more
জবাব: যুদ্ধবন্দিনীদের সাথে সহবাসের জন্য তার থেকে "অনুমতি" নেয়াটা কোনো শর্ত নয় এবং জরুরি কোনো বিষয় নয়। কিন্তু যুদ্ধ বন্দী নারীদের নির্যাতন অত্যাচার বা প্রহার করার মাধ্যমে সহবাসে বাধ্য করা বা জোর করা; এটা ইসলামে সম্পূর্ন হারাম। কোনো মনিব তার দাসীকে "প্রহার" বা কোনো ধরনের "অত্যাচার-নির্যাতন" করার মাধ্যমে সহবাসে বাধ্য বা জোর করতে পারবেনা। কেননা দাস দাসীদের প্রহার করা ইসলামে নিষিদ্ধ। দাস-দাসিকে প্রহার করা বা চড় দেয়া হারাম। কেউ যদি এই কাজ করে, তাহলে তাকে উক্ত দাস বা দাসীকে মুক্ত করে দিতে হবে।[1] রাসূ....
5 Min read
Read more
উম্মু ওয়ালাদ কী? উম্মু ওয়ালাদ বিক্রয় বৈধ কি না? ️অধিনস্থ দাসী যখন মনিবের সন্তান প্রসব করে তখন তাকে উম্মু ওয়ালাদ বলা হয়। এক্ষেত্রে তার মুক্তি নিশ্চিত হয়ে যায়, তাকে আর বিক্রয় করা যায় না (যদিনা দাসীটি মারা যায়)।প্রায় সকল সাহাবায়ে কেরাম এ বিষয়ে একমত। প্রসিদ্ধ চারটি সুন্নি মাজহাবের ইমামগণও এ বিষয়ে একমত।সুনানে আল-দারাক্বুতনী তে সহিহ সনদে এসেছে, ٤٢٥٠ – حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الشَّافِعِيُّ , نا الْهَيْثَمُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ خَلَفٍ , نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُطِيعٍ , نا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ هُ....
9 Min read
Read more
প্রশ্ন:আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন, وَمَا مِن دَآبَّةٖ فِي ٱلۡأَرۡضِ إِلَّا عَلَى ٱللَّهِ رِزۡقُهَا ٦﴾ [هود: ٦] –“আর জমিনে বিচরণকারী প্রতিটি প্রাণীর রিযিকের দায়িত্ব আল্লাহরই” [সূরা হূদ, আয়াত: ৬] অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা নিজেই তার নিজের ওপর বাধ্য করেছেন যে, জমিনের ওপর যা কিছু বিচরণ করে মানুষ, জীব-জন্তু ও পোকা-মাকড় সবকিছুর রিযিক ও খাওয়ানোর দায়িত্ব তার। তাহলে দুর্ভিক্ষ ও অভাব আফ্রিকা মহাদেশকে ধ্বংস করে দিচ্ছে তার ব্যাখ্যা কি? জবাব: আয়াতটি তার বাহ্যিক অর্থে সঠিক। আল্লাহ তা‘আলা যে সব বিপর্যয় ও দুর্ভিক্ষ জমিনে....
6 Min read
Read more
সালাত পঞ্চাশ ওয়াক্ত থেকে পাঁচ ওয়াক্তে নামিয়ে নিয়ে আসা বিষয়ক হাদীস আল্লাহ তা’আলার বাণী:﴿مَا يُبَدَّلُ ٱلۡقَوۡلُ لَدَيَّ ٢٩﴾ [ق: ٢٩]   “আমার কাছে কথা রদবদল হয় না।” মিরাজের রাতে সালাত পঞ্চাশ ওয়াক্ত থেকে পাঁচ ওয়াক্তে নামিয়ে নিয়ে আসা পরিবর্তন নয় কি?   প্রশ্ন: আল্লাহ তা’আলার বাণী: ﴿مَا يُبَدَّلُ ٱلۡقَوۡلُ لَدَيَّ وَمَآ أَنَا۠ بِظَلَّٰمٖ لِّلۡعَبِيدِ ٢٩﴾ [ق: ٢٩] ‘আমার কাছে কথা রদবদল হয় না, আর আমি বান্দার প্রতি যুলুমকারীও নই’। [সূরা আল-কাফ, আয়াত: ২৯]  এবং মি‘রাজের হাদীসের মধ্যে বিরোধ কিভাবে নিরসন করব,....
4 Min read
Read more
ঈসা আলাইহিস সালাম সম্পর্কে আপত্তির জবাব আল্লাহ তা‘আলার বাণী: فَنَفَخۡنَا فِيهِ مِن رُّوحِنَا “ফলে আমি তাতে আমার রূহ থেকে ফুঁকে দিয়েছিলাম।”   প্রশ্ন: যারা এ আয়াত  فَنَفَخۡنَا فِيهِ مِن رُّوحِنَا “ফলে আমি তাতে আমার রূহ থেকে ফুঁকে দিয়েছিলাম।” দ্বারা দলীল পেশ করে বলে ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর ছেলে—অথচ আল্লাহ তা‘আলা এ থেকে অনেক ঊর্ধ্বে—তাদের কীভাবে উত্তর দেওয়া হবে?   উত্তর: আয়াতটি সূরা আত-তাইরীমের ১২ নং আয়াত। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,  ﴿وَمَرۡيَمَ ٱبۡنَتَ عِمۡرَٰنَ ٱلَّتِيٓ أَحۡصَنَتۡ فَرۡجَهَا فَنَفَخۡنَ....
4 Min read
Read more
মৃত বাচ্চাদের জান্নাতী হওয়া বিষয়ে আলোচনা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী: رُفِعَ الْقَلَمُ عَنْ ثَلَاثَةٍ عَنْ النَّائِمِ “তিন ব্যক্তি থেকে আল্লাহ তা‘আলা কলম উঠিয়ে নিয়েছেন” রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী—وما يدريك يا عائشة أنه في الجنة، لعل الله اطلع على ما كان يفعل؟  “হে আয়েশা! তোমাকে কে জানিয়েছে যে, সে জান্নাতী? হতে পারে লোকটি ভবিষ্যতে কি করত সে বিষয়ে আল্লাহ অবগত রয়েছেন!।” প্রশ্ন: প্রশ্নকারী বলেন, ‘শিফায়ুল আলীল’ নামক কিতাবে উম্মুল মু‘মিনীন আয়েশা রাদিয়াল্লা....
5 Min read
Read more
সংক্রমণ ব্যধি সম্পর্কে ইসলামের বিধান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণী:  لَا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ – • “ইসলামে কোন সংক্রমণ নেই এবং পাখি উড়িয়ে ভাগ্য নির্ধারণ করা নেই”। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অপর বাণী:  وَفِرَّ مِنْ الْمَجْذُومِ كَمَا تَفِرُّ مِنْ الْأَسَدِ – • “তুমি কুষ্ঠ রোগ থেকে এমনভাবে পলায়ন কর যেমন তুমি বাঘ থেকে পলায়ন কর।”   প্রশ্ন: নিম্ন বর্ণিত দু’টি হাদীস—َ لَا عَدْوَى وَلَا طِيَرَةَ – “ইসলামে কোন সংক্রমণ নেই এবং পাখি উড়িয়ে ভাগ্য নির্ধারণ করা নেই।” এব....
3 Min read
Read more
অভিযোগ: অনেক অমুসলিম ভাই ও বোনেরা প্রশ্ন করেন যে, "সৃষ্টিকর্তাকে আপনারা (মুসলিমরা) আল্লাহ্ বলে ডাকেন অথচ গড অথবা ঈশ্বর বলেন না কেন? জবাব: তো এর জবাবে বলব, প্রথমত সর্বশেষ ঐশীগ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন মাজীদের দৃষ্টিতে মহান আল্লাহ্ সুবাহানাহু ওয়াতাআ'লার প্রকৃত পরিচয় মাত্র চারটি বাক্যে ১১২ নং সূরা আল-ইখলাসের (الإخلاص), আয়াত ১-৪ এ বলা হয়েছে। ১] قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ – বলঃ তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়। ২] اَللّٰهُ الصَّمَدُ – আল্লাহ কারও মুখাপেক্ষী নন। ৩] لَمۡ یَلِدۡ ۬ۙ وَ لَمۡ یُوۡلَدۡ – তাঁর কোন সন্....
8 Min read
Read more
অভিযোগ:—মুসলিম দায়ীরা সবসময় দাবি করে থাকে তাদের নবীরা নিষ্পাপ ছিলো। কিন্তু আমরা ইসলামী শারীয়ার দ্বিতীয় উৎস হাদীস (তিরমিজী/৩০৭৬) থেকে পাই ইসলামের প্রথম মানব আদম আল্লাহর কাছে অনুরোধ করে তার জীবনকাল থেকে পরবর্তী এক বংশোদ্ভূত দাউদকে চল্লিশ বছর দিয়ে দিয়েছিলো। অতপর মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলে সে ওই বিষয়টি অস্বীকার করে তার বাকি চল্লিশ বছর দাবি করে বসে! সে দাবি করে, সে কিনা তার জীবনকাল থেকে কাউকে কোনো অংশই দেয়নি! সে কিনা এমন কিছু করেইনি! তাহলে কি এ থেকে প্রমাণিত হয়না, তাদের নবীরাও পাপ করতেন? জবাব:....
23 Min read
Read more
  উমার (রা) হতে "সহিহ" সনদে প্রমানিত আছে যে যুদ্ধে শুধু তাদেরই হত্যা করা যাবে যারা যোদ্ধা। আবু উবাইদ আল-কাসিম বিন সাল্লাম "আল-আমওয়াল"(হা/93) এ উমার ইবনুল খাত্তাব (রা.) সম্পর্কে বর্ননা করেন:  حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ السَّخْتِيَانِيُّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ أَسْلَمَ، مَوْلَى عُمَرَ أَنَّ عُمَرَ كَتَبَ إِلَى أُمَرَاءِ الْأَجْنَادِ: " أَنْ يُقَاتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلَا يُقَاتِلُوا إِلَّا مَنْ قَاتَلَهُمْ، وَلَا يَقْتُلُوا النِّسَاءَ وَلَا الصِّبْيَانَ، وَ....
3 Min read
Read more
1 2