যীশুর অলৌকিক কীর্তিকলাপ ঈশ্বরত্বের প্রমাণ নয় কী?২য় অংশ

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম 

খ্রিস্টান বনাম মুসলিম সংলাপ
(বিষয়:যীশু তথা ঈসা আঃ এর অলৌকিক কীর্তিকলাপ কি খোদাত্বের প্রমাণ নয়?বাইবেল vs কোরআন থেকে এর সত্যতা যাচাই!
\________________________________________/
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।যারা এ বিষয়ের ১ম অংশ পড়তে ও জানতে ইচ্ছুক তারা পড়ে নিবেন।পোস্টের নিচে উক্ত শিরোনামের ১ম অংশের লিংক দেওয়া হয়েছে।২য় অংশের আলোচনায় আসা যাক!যীশুর ঈশ্বরত্ব সম্পর্কে কিছু অলৌকিক কার্যাবলির বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করা হলো।
যুক্তরাজ্য থেকে ১৯৮৮ সালে Islam International Publications Limited কতৃক প্রকাশিত The Holy Quran ,Volume-2,Page:401-404 এ আলোচ্য আয়াতের টিকায় বলা হয়েছে:

"বাইবেলের কোথাও উল্লেখ নেই যে,"যীশু তথা ঈসা আঃ মুজিজা প্রদর্শন করার জন্য পাখি সৃষ্টি করে আকাশে উড়িয়েছেন। সত্যি সত্যি যদি ঈসা আঃ পাখি সৃষ্টি করে আকাশে উড়িয়ে থাকতেন,তবে বাইবেলে তা কিভাবে ও কেন অনুল্লিখিত থাকল?"আল্লাহর কোন নবী পূর্বে এ ধরণের কোন ঐশী নিদর্শন দেখাননি।অথচ বাইবেল এ সম্পর্কে সম্পূর্ণ নিরব।বাইবেলে এ মহানিদর্শনের উল্লেখ থাকলে ,সকল নবীর উপর ঈসা আঃ এর শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিপন্ন হতো বাইবেল অনুযায়ী ।এবং পরবর্তী কালে খ্রিস্টানরা ঈসা আঃ এর যে ঈশ্বরত্ব আরোপ করেছে তাও কিছুটা সমর্থন লাভ করত হয়তো। "খাল্'ক"-শব্দ টি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা হয় যেমন:মাপ বা ওজন ঠিক করা বা পরিমাপ ঠিক করা,নক্সা তৈরী করা বা আকৃতি ঠিক করা বা দেয়া,সৃষ্টি করা ইত্যাদি। "সৃষ্টি করা"-অর্থে "খাল্'ক"-শব্দ টি কোরআনের কোথাও আল্লাহর কাজ ছাড়া অন্য কোন কারো কাজ বলে স্বীকৃত পায়নি; আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন কারো প্রতি এই গুণটি কোরআনের কোথাও আরোপিত হয়নি (কোরআন ১৩:১৬; ১৬:২০; ২২:৭৩; ২৫:৩; ৩১:১০-১১; ৩৫:৪০ এবং ৪৬:৪)

পূর্বোক্ত ব্যাখ্যার আলোকে এবং "কাদা-মাটির রুপক অর্থ সম্মুখে রেখে :-
●"তোমাদের জন্য কাদা-মাটি থেকে আমি পাখির অবস্থার অনুরূপ সৃষ্টি করব ,অতঃপর তার মধ্যে আমি (নবজীবন) ফুৎকার করব,ফলে তা আল্লাহর আদেশে উড্ডয়নশীল হয়ে যাবে।"

উপরোল্লিখিত ইত্যাদি কথার মর্ম বোঝার চেষ্টা করলে,তার তাৎপর্য দাঁড়াবে এই যে,সাধারণ অনভিজ্ঞ লোক,যাদের মধ্যে উন্নতি ও জাগরণের শক্তি রয়েছে,তারা যদি যীশু তথা ঈসা আঃ এর সংস্পর্শে আসে ও তাঁর বাণী গ্রহণ করে ডীবন-যাপন করে তবে তাদের জীবনে আমূল পরিবর্তন এসে যাবে।ধুলি-ধূসরিত,সংসারসিক্ত,বস্তু কেন্দ্রিক জীবনকে জলাঞ্জলি দিয়ে,তারা আধ্যাত্মিক আকাশের উচ্চমার্গে পাখির মত বিচরণ করতে সমর্থ হবে এবং প্রকৃতপক্ষে তাই ঘটেছিল।ঘৃণিত,অবহেলিত গালীলের জেলেরা তাদের প্রভু ও গুরুর উপদেশ ও উদাহরণ অনুশীলনের মাধ্যমে পাখির মতোই আকাশের উচ্চমার্গে আরোহণ করে বনি-ইস্রায়েল জাতির মধ্যে আল্লাহর বাণী প্রচারের তাওফিক লাভ করেছিল।

●অন্ধ ও কুষ্ঠ ব্যধিগ্রস্থদের উপশমের সম্বন্ধে বলা যায়," এধরণের রোগাক্রান্ত ব্যক্তিদের কে বনি-ইস্রায়েল জাতি অপবিত্র ও নোংরা জানে,এদেরকে সমাজের সংশ্রব থেকে দূরে রাখত,সমাজে ঘেঁষতে দিত না ইত্যাদি।
●........."আমি মুক্ত করে দিব"-
উক্ত কথাটির তাৎপর্য এই যে,"এসব রোগাক্রান্ত লোকেরা আইনগত ও সামাজিক ভাবে অবহেলিত অবস্থায় বহু-বঞ্চনা ও অসুবিধার মধ্যে ঘৃণিত পরিবেশে বাস করত।যীশু তথা ঈসা আঃ এসে তাদের কে সেবা-যত্ন করার তাগিদ দিয়ে ,সমাজে তাদের কে স্থান দিয়ে,তাদের কে দুর্বিষহ জীবন থেকে মুক্ত করেছিলেন।এও হতে পারে,ঈসা আঃ এদের কে রোগ মুক্ত করে সেবা-যত্নের মাধ্যমে মুক্ত করেছিলেন /রোগ মুক্ত করতেন অর্থাৎ সুস্থ করে তুলতেন।........"আল্লাহ্ এর নবীগণ (আঃ) ছিলেন আধ্যাত্মিক চিকিৎসক বিশেষ। " তাঁরা আধ্যাত্মিক অন্ধদের কে চক্ষু দান করেন,বধির কে শ্রবণশক্তি দান করেন অর্থাৎ ভালো মত বোঝার শক্তি দান করেন,আধ্যাত্মিক মৃতদের কে জীবন দান করেন (মথি ১৩:১৫)।

●"...........আমি মৃতের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করব"-
উক্ত-বাক্যটির অর্থ এটা নয় যে,"ঈসা আঃ মৃত ব্যক্তি কে সত্যিই জীবিত করেছিলেন। "যারা প্রকৃতই মরে যায় অর্থাৎ দেহ থেকে আপন আত্মা (জীবনি শক্তি রুহ) চিরদিনের জন্য চলে যায় ,তারা আবার পৃথিবীর বুকে আর কখনোই দ্বিতীয় বার পুনরুজ্জীবিত হয় না।আর এ ধরণের বিশ্বাস কোরআনের শিক্ষার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থাৎ সঙ্গত হবে না বলে মনে করি।"(কোরআন ২:২৮; ২৩:৯৯-১০০; ২১:৯৫; ৩৯:৫৮; ৪০:১১; ৪৫:২৬)
**"........প্রকৃতপক্ষে,আধ্যাত্মিক পরিভাষা মতে,"নবীগণ তাঁদের অনুসারীদের জীবনে যে বৈপ্লবিক ও অসাধারণ মহাপরিবর্তন আনেন তাকেই বলা হয়েছে :-"মৃতকে জীবিত করা।"

●"............এবং তোমরা কি খাবে ও তোমাদের ঘরে কি সঞ্চয় করবে"
উক্ত-বাক্যাংশটির সামগ্রিক অর্থ/তাৎপর্য দাঁড়ায়:-"যীশু তথা ঈসা আঃ তাঁর শিষ্য/অনুসারীদের শিক্ষা দিবেন,দিনযাপনের জন্য তারা কি পরিমাণ খাওয়া-দাওয়ার ব্যপারে খরচ করবে এবং কি পরিমাণ তারা বাঁচাবে অর্থাৎ পরকালে পাবার জন্য খরচ করবে।
■অন্যথায়,যীশু তথা ঈসা আঃ তাদেরকে বললেন,"তারা ন্যায় ভাবে যা উপার্জন করবে,তা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করবে এবং অবশিষ্ট অর্থ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর মহান আল্লাহ্ সুবহান ওয়া তাআলার পথে খরচ করবে।আর আগামী দিনের কথা আল্লাহর উপর খরচ করবে। ( তুলিতব্য, মথি-৬:২৫-২৬)

মাওলানা মুহাম্মদ আকরাম খাঁ সাহেব আলোচ্য আয়াতের বিস্তারিত আলোচনার পর আয়াতের ভাবার্থে বলেন:
"যীশু তথা ঈসা আঃ সর্বশক্তিমান ঈশ্বর মহান আল্লাহ্ এর বাণী প্রাপ্ত হবার পর প্রথমেই ঘোষনা করেছিলেন যে,........."হে ইস্রায়েলকুল তোমাদের কে প্রকৃতিগত মূল উপাদান (তীন) হতে আবার তোমাদের কে পূর্বের ন্যায় একটি মহাজাতিরুপে গঠনের চেষ্টা করব,এজন্য প্রথমে গঠন করব......" জাতির কাল্'বুদ মাত্র কে।তারপর সে কাল্'বুদের মধ্যে স্বর্গীয় প্রেরণা প্রবেশ করিয়ে দিয়ে জ্ঞানান্ধ সমাজ কে দৃষ্টিদানে,....নানা জঘন্য ব্যভিচার-ব্যাধি-কলুষিত জাতিকে আল্লাহর অনুমতিক্রমে এক মুক্ত জীবন্ত ও ঊর্ধ্বগতি উন্নতমুখী জাতিতে পরিণত করে দিব। এবং আল্লাহর অনুমতিক্রমে __মূর্খতা ও পাপাচারে যাদের জ্ঞান ও বিবেক মরে গেছে,যাদের অন্তর সত্যের অনুভূতি থেকে বঞ্চিত ও অসাড় হয়ে গেছে পড়েছে,তাদের মধ্যে মুক্ত জ্ঞানের ও আধ্যাত্মিক শিক্ষার স্বর্গীয় প্রেরণা জাগ্রত করে আবার তাদের কে ধর্মের হিসেবে জীবন্ত করে তুলব।আর পার্থিব জীবনের ভোগ ও পরলৌকিক জীবনের সঞ্চয় কি হবে তাও তোমাদের জ্ঞাত করব অর্থাৎ জানিয়ে দিব।
এই মিশন ও এই সাধনা নিয়েই আমি তোমাদের প্রভুর সান্নিধ্য থেকে প্রেরিত হয়েছি। "

■অবশেষে খ্রিস্টান প্রচারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় যে,"যীশু যে সব জ্বরা,মৃত এবং ব্যধিগ্রস্থ লোক কে আরোগ্য দান করেছিলেন,তারা কেউই প্রকৃতপক্ষে দৈহিক ভাবে রোগাক্রান্ত বা মৃত ছিল না; বরং পাপের ফলে আত্মিক দিক দিয়ে মৃত বা ব্যধিগ্রস্থ হয়ে পড়েছিল বলেই খোদ বাইবেলেই তার প্রমাণ রয়েছে। যেমন:যীশু এক পক্ষাঘাত কে আরোগ্য দান করে বললেন,"তোমার পাপ ক্ষমা হলো।"(মথি ৯:২)

এখানে "পাপ মুক্ত হওয়ায় যে রোগ আরোগ্য হলো"-তা আত্মিক ব্যধি ছাড়া অন্য কিছু নয়।অন্য এক রোগীকে সুস্থ করে বললেন,"দেখ,তুমি সুস্থ হলে,আর পাপ কর না। "(যোহন ৫:১৪)

অর্থাৎ এখানে পুনরায় পাপ করলে আবার অসুস্থ হয়ে যেতে হবে আত্মিক ভাবে।এখানে দৈহিক অসুস্থতার কথা বলা হয় নাই। কেননা যীশু উপমার দ্বারা অনেক কথা বলে উপরোল্লিখিত বিষয়টি বুঝিয়েছেন। তাই এখানে আত্মিক দিক দিয়ে সুস্থ হওয়ার কথা বর্ণিত হয়েছে।
আত্মিক মৃত সম্পর্কে শিষ্যদের মধ্যে আরেক জন তাঁকে (যীশু তথা ঈসা আঃ) কে বললেন,"প্রভু আগে আমার বাবাকে কবর দিয়ে আসার অনুমতি দিন, তারপর আমি আপনাকে অনুসরণ করব৷’কিন্তু যীশু তাকে বললেন, "‘তুমি আমার সঙ্গে এস, যারা মৃত তারাই মৃতদের কবর দেবে৷"(মথি ৮:২১-২২)

প্রকৃতপক্ষে মৃতদের দ্বারা কখনোই অন্য মৃত ব্যক্তিদের কবর দেওয়াই সম্ভব নয়।কেবল আত্মিক মৃতদের দ্বারাই তা সম্ভব। কেননা আত্মিক মৃত ব্যক্তিরা দৈহিক ভাবে মৃত নয় বরং মনের দিক থেকে ভেতর দিয়ে মৃত।আর এমন আত্মিক মৃতকেই সর্বশক্তিমান ঈশ্বর মহান আল্লাহর প্রত্যেক নবীরাই জীবিত করতে পারতেন। যেমন:পবিত্র আল কোরআনে বলা হয়েছে সূরা আল আনফাল (الأنفال), আয়াত: ২৪

يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ ٱسْتَجِيبُوا۟ لِلَّهِ وَلِلرَّسُولِ إِذَا دَعَاكُمْ لِمَا يُحْيِيكُمْ وَٱعْلَمُوٓا۟ أَنَّ ٱللَّهَ يَحُولُ بَيْنَ ٱلْمَرْءِ وَقَلْبِهِۦ وَأَنَّهُۥٓ إِلَيْهِ تُحْشَرُونَ

● অর্থঃ হে বিশ্বাসীরা, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আহ্বানে সাড়া দাও, যখন তোমাদের তিনি আহবান করেন,তোমাদের কে জীবিত করার জন্য............।"
এখন এখানে মুসলিমরা খ্রিস্টানদের মত দাবি করতে পারে কি নবী মুহাম্মদ সাঃও মানুষকে জীবিত করতে পারতেন?আর তিনি যেহেতু জীবিত করতে পারতেন তাই তিনিও ঈশ্বর।(নাঊযুবিল্লাহ মিনযালিক)।আসলে এখানে কথাটি উপমার দ্বারা বর্ণিত হয়েছে বলে সাধারণ ভাবে নেওয়া যাবে না। কেননা সাধারণভাবে নিলে মুহাম্মদ সাঃ কেও ঈশ্বর হিসেবে দাবি করা যাবে যেমন টা খ্রিস্টানরা করে থাকে যদিও সেটা ভুল ভাবে মিথ্যা দাবি করে।
প্রকৃত কথা হলো যীশু সহ আরো অনেকেই এরুপ কাজ করতে পারতেন এবং ভবিষ্যতেও সক্ষম হবে বলে খোদ বাইবেলেই এরুপ কথা রয়েছে। যেমন:
i)এলিয় এক মহিলার মৃত পুত্রকে জীবিত করে তুলেছিলেন (১ রাজাবলি ১৭:২১-২২)
ii)গিলিয়দের তিশ্বী শহরে এলিয় নামে এক ভাববাদী বাস করতেন।তিনি রাজা আহাবকে বললেন, “আমি ইস্রায়েলের ঈশ্বর, প্রভুর সেবক। আমি সেই প্রভুর নামে অভিশাপ দিলাম আগামী কয়েক বছর বৃষ্টিপাত তো দূরের কথা, এদেশে এক ফোঁটা শিশির পর্য়ন্ত আর পড়বে না।এক মাত্র আমি নির্দেশ দিলেই আবার বৃষ্টিপাত হবে।"(খ্রিস্টানরা যীশুকে ঈশ্বর বলে কিন্তু এলিয় কে বলে না অথচ এলিয় যীশুর ন্যায় কাজ করতে পারত)(১ রাজাবলি ১৭:১)
iii)ইলিশায় নামান নামীয় কুষ্ঠরোগীকে আরোগ্য দান করেছিলেন (২ রাজাবলি ৫:১-১৪)
iv)অন্যরাও যীশুর ন্যায় ভূত ছাড়াতে সক্ষম (মার্ক ১৬:১৭)
v)যীশুর ন্যায় উদ্ভুত কাজ আরো অনেকেই করতে পারে (মথি ২১:২১)
এরকম আরো অনেক বলা যায় বাইবেল থেকেই।

যীশুর খোদাত্বের আরো কিছু অসারতা:
\_______________________________/
খ্রিস্টধর্ম প্রচারকেরা যীশুর খোদাত্বের প্রমাণ স্বরুপ আরো যেসব দলিল প্রমাণ পেশ করেন,সেগুলোর অসারতা বাইবেল থেকেই উদ্ধৃত হলো:
i)পাপ মোচন করার ক্ষমতা খোদাত্বের প্রমাণ নয়,অন্যরাও পাপ মোচন করতে পারে (যোহন ২০:২৩)
ii)যীশু পিতায় এবং পিতা যীশুতে থাকা খোদাত্বের প্রমাণ নয়,কারণ অন্য লোকেরাও যীশুর ন্যায় খোদাতে থাকতে পারে (যোহন ১৭:২১)।
iii)যীশু ও খোদা এক,এ বাক্যও খোদাত্বের প্রমাণ নয়।অন্যের জন্যেও এ বাক্য ব্যবহৃত হয়েছে (যোহন ১৭:১১; এবং আদিপুস্তক ১:১৭)।
iv)এ ছাড়া যীশু সর্বদাই খোদাত্বের কথা অস্বীকার করেছেন,বরং তিনি নিজেকে খোদার দাস,প্রেরিত,ভাববাদী,মনুষ্য পুত্র এবং পবিত্র ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়েছেন।এ সম্বন্ধে নিন্মে কয়েকটি প্রমাণ উপস্থাপন করা হল:
ক)যীশু মানুষ (মথি ৯:৮)
খ)যীশু মনুষ্য পুত্র (মথি ১২:৮; ১৩:৩৭)
গ)যীশু খোদার প্রেরিত (মথি ১০:৪০; যোহন ৭:১৬; ১৭:৩)
ঘ)যীশু ভাববাদী (মথি ১৩:৫৭; ২১:১১)।
ঙ)যীশু পবিত্র ব্যক্তি (যোহন ৬:৬৯)।
চ)যীশু খোদার দাস (প্রেরিত ৩:১৩; ৪:২৭)।
ছ)যীশু মানুষ ছিলেন,এ জন্য তিনি খোদার নিকট প্রার্থনা করতেন (মথি ২৭:৪৬)
জ)যীশু দুর্বল মানুষ ছিলেন,এ জন্য মৃত্যু ভয়ে ভীত ছিলেন (মার্ক ১৪:৩৬)
ঝ)যীশু খোদা নন,এ জন্য তিনি মানুষের পাপের বিচার করতে পারেন না (যোহন ১২:৪৭-৫০)
ঞ)যীশু নিজেকে খোদা থেকে পৃথক দেখিয়েছেন।যেমন:তিনি বলেন,"খোদাতে বিশ্বাস কর,আমাতেও বিশ্বাস কর।"(যোহন ১৪:১)

১ম অংশ :যীশুর অলৌকিক কীর্তিকলাপ কী খোদাত্বের প্রমাণ
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=159944832150148&id=104106391067326
আল্লাহ্ তুমি আমাদের সবাইকে হিদাআত দাও এবং সঠিক পথে কবুল কর।আমীন

Share this: