এব্রাহামিক ধর্মসমূহের প্রতিটা তত্ত্বই চুরি করেছে সনাতন/হিন্দুধর্ম

এব্রাহামিক ধর্মের প্রতিটি তথ্যই চুরি করছে হিন্দুধর্ম।

 

সহস্র ধর্মের সংমিশ্রণে আজকে এই সনাতনধর্ম।যাকে এক কথায় হিন্দুধর্ম বলা হয়।হিন্দুরা গৌরবের সাথে দাবি করে তাদের ধর্ম নাকি সৃষ্টিশুরু থেকে বিদ্যমান এবং এব্রাহামিক ধর্মগুলো নতুন সৃষ্টি সবেমাত্র।

এব্রাহামিকধর্মগুলো বৈশিষ্ট্যগুলো হিন্দুধর্মে দৃশ্যমান হলে ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বুঝা যাবে হিন্দুধর্ম নতুন এবং প্রতিনিয়ত আপডেট।অবশ্য চোরের মায়ের বড় গলা।এতো তথ্য চুরি করেও বড় গলায় বলে আদিধর্ম।এছাড়াও এরা খুব লাফায় উইকিপিডিয়া তথ্য দিয়ে হিন্দুধর্মকে প্রাচীন ধর্ম প্রমান করার জন্য অথচ বাশ এখানেই।উইকিপিডিয়ায় দাবি করছে হিন্দুধর্মের  ৯ হাজার বছর আগে ক্যাটালগ ধর্ম ছিলো

 

https://en.m.wikipedia.org/wiki/%C3%87atalh%C3%B6y%C3%BCk#Religion

 

সুমেরীয় (এব্রাহামিক) ধর্ম ৫হাজার বছর পূর্বে  এসেছে যা হিন্দুধর্মের দেড় হাজার পূর্বে

 

https://en.m.wikipedia.org/wiki/%C3%87atalh%C3%B6y%C3%BCk#Religion

 

ঋগবেদের বয়স

১২০০-১৫০০ খৃষ্টপূর্ব।

 

https://en.m.wikipedia.org/wiki/Rigveda

 

হিন্দুধর্মের বয়স সাড়ে তিন হাজারের বেশি নয়।কারন মানুষের আর্বিভাবের বয়স দেখলে জানা যায়

 

https://www.sciencedaily.com/releases/2005/02/050223142230.htm

 

প্রাচীন ভাষা ১৩টা নিয়ে তালিকায় বেদের সংষ্কৃত ভাষার স্থান  নাই উইকিপিডিয়ায়

 

https://en.m.wikipedia.org/wiki/List_of_languages_by_first_written_accounts

 

★চলুন এবার দেখি যেসব কপি করছে এব্রাহামিক থেকেঃ-

 

(১)কঠোর একেশ্বরবাদঃ-

আল-কুরান থেকে-

 

এব্রাহামিকধর্মগুলো মূল বৈশিষ্ট্য একত্ববাদ।যেমনঃ-

i)বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,

iiআল্লাহ অমুখাপেক্ষী 

iii)তিনি কাউকে জন্মদেননি এবং তিনিও জন্মগ্রহন করেন নি

iv)তার সমতুল্য কেউ নাই

(আল-কুরআন,১১২ঃ১-৪)

 

★বাইবেল থেকে-

 

i)

 

שמע ישראל יהוה אלהינו יהוה אחד׃

(সামা ইজরাইলি ইয়াহওয়েহ এলোহিম ইহাদ)

 

বাংলাঃ-আমাদের অভিভাবক আমাদের সদাপ্রভু যিহোবা এক।(২য় বিবরন ৬/৪)

 

ii)

טוב לחסות ביהוה מבטח באדם׃

 

(তৌওব লাহাসৌত  ইয়াহওয়েহ মিব বিতোয়াহ  বা  আদাম)

 

মানুষের প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া চেয়ে সদাপ্রভুর প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া উত্তম।

(সামসংগীত ১১৮/৮)

 

iii)

לא איש אל ויכזב ובן אדם ויתנחם ההוא אמר ולא יעשה ודבר ולא יקימנה׃

 

(লো ইজ ইল উইকাজিব  ইউবেন  আদাম ইউ-ইতনেহাম  হাহু আ-মার উইলো ইয়া আসেস  উই দিব্বার উইলো)

 

সদাপ্রভু তো মানুষ নন যে, মিথ্যা বলবেন; মানুষ থেকে তাঁর জন্মও নয় যে, মন বদলাবেন। তিনি যা বলেন করেনও তা, তাঁর ওয়াদা তিনি সর্বদা পূর্ণ করেন।

গননাপুস্তক ২৩:১৯

 

iv)

מי כיהוה אלהינו המגביהי לשבת׃

 

(মি ইয়াহওয়েহ এলোহিনু হাম মাগ বিহি লাসাবিত)

 

আমাদের সদাপ্রভু সমতুল্য কেউ নেই।

(সামসংগীত ১১৩/৫)

 

★যা সম্পূর্ণ চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

i)

 

जनयन्देव एकः॥३॥

 

(জনয়ন্দেব এক ||1||)

 

বাংলাঃ-তিনি একমাত্র ঈশ্বর।

(ঋগ্বেদ ১০/৮১/৩,১০/৮২/৩)

 

ii)

सर्वस्येश्वरो यस्मिन्त्सर्वं प्रतिष्ठितम् ॥१॥

 

(সর্বস্যেশ্বরো যস্মিন্তসর্বং প্রতিষ্টম্ ॥1॥)

 

বাংলাঃ-

তিনি সকলের পালনকর্তা  সবকিছু তার মুখাপেক্ষী 

(অর্থববেদ ১১/৪/১,গ্রিফিথ ভাষ্য)

 

iii)

 

यस्मान्न जात इत्येष ॥३॥

 

(যস্মান জাত ইত্যেশ ॥3॥)

 

বাংলাঃ-

তিনি জন্মগ্রহণ করেন না

(শুক্ল যর্জুবেদ ৩২/৩)

 

iv)

 

न तस्य प्रतिमा अस्ति यस्य नाम महद्यशः ।

 

(ন তস্য প্রতিমা অস্তি যস্য নম মহদ্যশঃ।)

 

বাংলাঃ- তার মূর্তি,ভাস্কর ইত্যাদি কোনো টাই নেই।।কোনো কিছু তার মতো নয় এবং তার সমতুল্য কেউ নেই

(শুক্ল যর্জুবেদ ৩২/৩,আর্য তুলসী রাম)

 

(২)এছাড়াও আমরা দেখতে পাই পৌত্তোলিকতাবাদ দূর করার ব্যাপারে হিন্দুধর্ম আব্রাহামিক ধর্মের নির্দেশ অনুসরণ করে,যা এক প্রকার চুরিও বটে যেমনঃ-

 

★কোরান বলছে-

হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা(মূর্তি)পূজা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।

(সূরাঃ আল মায়িদাহ,৫/৯০)

 

★বাইবেল বলছে-

 

নিজের জন্য তুমি ঊর্ধ্বস্থ স্বর্গের বা অধঃস্থ পৃথিবীর বা জলরাশির তলার কোনো কিছুর আকৃতিবিশিষ্ট কোনও প্রতিমা তৈরি করবে না। তুমি তাদের কাছে মাথা নত করবে না বা তাদের আরাধনা করবে না; কারণ আমি, তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু, এক ঈর্ষান্বিত ঈশ্বর, বাবা-মার করা পাপের কারণে সন্তানদের শাস্তি দিই, যারা আমাকে ঘৃণা করে তাদের তৃতীয় ও চতুর্থ প্রজন্ম পর্যন্ত দিই, কিন্তু যারা আমাকে ভালোবাসে ও আমার আজ্ঞাগুলি পালন করে, হাজার প্রজন্ম পর্যন্ত তাদের প্রতি ভালোবাসা দেখাই। তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর নামের অপব্যবহার কোরো না, কারণ যে কেউ তাঁর নামের অপব্যবহার করে সদাপ্রভু তাকে নির্দোষ প্রতিপন্ন করবেন না।

যাত্রা পুস্তক 20:4‭-‬7 BCV

https://bible.com/bible/2412/exo.20.4-7.BCV

 

★একই তত্ত্ব  মূর্তিপূজা নিষিদ্ধ আমরা বেদেও পাই-

 

न तस्य प्रतिमा अस्ति यस्य नाम महद्यशः ।

 

(ন তস্য প্রতিমা অস্তি যস্য নম মহদ্যশঃ।)

 

বাংলাঃ- তার প্রতিমা অর্থাৎ মূর্তি,ভাস্কর ইত্যাদি কোনো টাই নেই।।কোনো কিছু তার মতো নয় এবং তার সমতুল্য কেউ নেই

(শুক্ল যর্জুবেদ ৩২/৩,আর্য তুলসী রাম ইংরেজি হতে বঙ্গানুবাদ )

 

अन्धं तमः प्र विशन्ति ये संभूतिमुपासते । ततो भूय इव ते तमो य उ संभूत्याँ रताः ॥९॥

 

(অন্ধ তমঃ প্রা বিশান্তি ইয়ে সম্ভূতি মুপাসতে। ততো ভূয় ইভা তে তমো ইয়া উ সম্ভূত্য রাতঃ ॥৯॥)

 

বাংলাঃ-তারা গভীর অন্ধকারে প্রবেশ করে যারা মৌলিক প্রাকৃতিক বস্তু পূজা করে (যেমনঃ-আগুন,পাথর,পানি ইত্যাদি)  তারা আরো গভীরে প্রবেশ করে যারা অস্তিত্ব্যমান আকৃতি ও বিলুপ্তপ্রায় বস্তুরপূজা করে।

(যেমনঃ-মানুষ,প্রাণী,মূর্তি)

 

(শুক্ল যর্জুবেদ ৪০/৯,আর্য তুলসী রামের ইংরেজি থেকে বাংলায় ভাষান্তর)

 

 শুধু তাই নয়।নিজেদেরকে ব্যতিক্রম দাবি করতে অন্যসব প্যাগানদের মতো দেব-দেবী বিশ্বাস ফটো কপি করছেঃ-

 

হে দেবতাগণ!তোমরাই মানবজাতির পালক,যজ্ঞের ফল দাতা(ঋগ্বেদ ১/৩/৭)

 

सहस्रस्य प्रतिमां विश्वरूपम् ।

 

(সহস্র প্রতিমা বিশ্বরূপম)

 

(অগ্নি!) তোমরা সহস্র মূর্তি বিশ্বে প্রকাশিত হোক 

(শুক্ল যর্জুবেদ১৪/৪১)

 

(৩)খৃস্টান ধর্মের ত্রিত্ববাদ তথ্য চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

For there are three that bear record in heaven, the Father, the Word, and the Holy Ghost: and these three are one.

1 John 5:7 KJV

https://bible.com/bible/1/1jn.5.7.KJV

 

অনুবাদঃ-স্বর্গ হইতে সাক্ষী বহন করে পিতা বাক্য(পুত্র) ও পবিত্র আত্না,এরা তিনজনে এক।

 

ঠিক একই তথ্য চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ--

 

হে অগ্নি!তুমিই ইন্দ্র,ব্রহ্মা ও বিষ্ণু

(ইন্দ্র +ব্রহ্মা+বিষ্ণু=একজন তিনি হলেন অগ্নি)

(ঋগ্বেদ ২/১/৩)

 

এছাড়াও আমরা পাই-

ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব তিনজনে এক

(শিবপুরাণ, জ্ঞান সংহিতা)

 

(৪)ইহুদি-খৃস্টানধর্ম থেকে ঈশ্বরকে পিতা ডাকা মতবাদ চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

বাইবেল থেকেঃ-

 

তাই খ্রীষ্টও মহাযাজক হওয়ার মহিমা স্বয়ং গ্রহণ করেননি। কিন্তু ঈশ্বর তাঁকে বলেছিলেন, “তুমি আমার পুত্র, আজ আমি তোমার পিতা হয়েছি।”

ইব্রীয় 5:5 BCV

https://bible.com/bible/2412/heb.5.5.BCV

 

সে আমাকে ডেকে বলবে, ‘তুমি আমার পিতা, আমার ঈশ্বর, শৈল আমার উদ্ধারকর্তা।’

গীত 89:26 BCV

https://bible.com/bible/2412/psa.89.26.BCV

 

একই হিন্দুধর্মেও ঈশ্বরকে পিতা বলা হয়েছে-

 

পরমেশ্বর সকলের জন্মদাতা পিতা 

(ঋগ্বেদ ১০/৮২/২-৩)

 

(৫)ইহুদি-খৃস্টানের  ঈশ্বরের পুত্র মতবাদ চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

“আমি বলি, ‘তোমরা “ঈশ্বর” তোমরা সবাই পরাৎপরের সন্তান।’

গীত 82:6 BCV

https://bible.com/bible/2412/psa.82.6.BCV

 

বেদ বলছে-

পরমেশ্বর সকলের জন্মদাতা পিতা 

(ঋগ্বেদ ১০/৮২/২-৩)

 

পরমেশ্বর যদি সকলের জন্মদাতা পিতা হলে সকল সৃষ্টি স্বাভাবিকভাবেই পরমেশ্বরের সন্তান বলে গন্য হবে এটাই বুঝা যায়।খৃস্টানরা যিশুকে ঈশ্বরকে ঔরসজাত বিহীন পুত্র মনে করে ঠিক একইভাবে হিন্দুরাও গনেশকে শিবের ঔরসজাত পুত্র মনে করে।

 

(৬)বাইবেল থেকে ঈশ্বরের দাস হওয়া তথ্য চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

 

সদাপ্রভুর প্রশংসা করো। তোমরা যারা তাঁর ভক্ত দাস, সদাপ্রভুর প্রশংসা করো;

 

গীত 113:1 BCV

https://bible.com/bible/2412/psa.113.1.BCV

 

★কোরানে বলা-

 ۗ وَاللَّهُ رَءُوفٌ بِالْعِبَادِ

 

আল্লাহ তার দাসদের প্রতি দয়াশীল।

(সূরাঃ আল ইমরান, আয়াতঃ ৩০)

 

অনুরূপ বেদে বলাঃ-

 

उत दासा परिविषे स्मद्दिष्टी गोपरीणसा । यदुस्तुर्वश्च मामहे ॥१०॥

 

(উত দাসা পরিবিষে স্মাদ্দিষ্টি গোপরীংসা। যদুস্তুর্বর্ষ মমহে ॥10॥)

 

Yadu and Indra speaking auspiciously, and possessed of numerous cattle, gave them like servants, for the enjoyment.

 

— Rigveda 10.62.10, Translated by HH Wilson

 

বাংলা-যদু এবং ইন্দ্র শুভ কথা বলে, এবং অসংখ্য গবাদি পশুর অধিকারী, তাদের ভোগের জন্য দিয়েছিলেন (যারা তাঁদের) দাসদের মতোই।

এখানে দাসা অর্থ-দাস।

 

(৭)ইহুদি ও খৃস্টান ধর্ম অবতারবাদ চুরি করছে হিন্দুধর্ম।যেমনঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

অতএব যাকোব একাই থেকে গেলেন, এবং একজন লোক ভোর হয়ে ওঠা পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কুস্তি লড়লেন। যখন সেই লোকটি দেখলেন যে তিনি তাঁকে হারাতে পারছেন না, তখন তিনি যাকোবের ঊরুর কোটর স্পর্শ করলেন যেন সেই লোকটির সঙ্গে কুস্তি করতে করতে তাঁর ঊরু মচকে যায়। পরে সেই লোকটি বললেন, “আমাকে যেতে দাও, কারণ ভোর হয়ে আসছে।” কিন্তু যাকোব উত্তর দিলেন, “যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি আমাকে আশীর্বাদ করছেন, আমি আপনাকে যেতে দেব না।” সেই লোকটি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তোমার নাম কী?” “যাকোব,” তিনি উত্তর দিলেন। তখন সেই লোকটি বললেন, “তোমার নাম আর যাকোব থাকবে না, কিন্তু তা হবে ইস্রায়েল, কারণ তুমি ঈশ্বরের ও মানুষের সঙ্গে যুদ্ধ করে জয় পেয়েছ।” যাকোব বললেন, “দয়া করে আপনার নাম বলুন।” কিন্তু তিনি উত্তর দিলেন, “তুমি আমার নাম জিজ্ঞাসা করছ কেন?” পরে তিনি সেখানেই তাঁকে আশীর্বাদ করলেন। অতএব যাকোব এই বলে সেই স্থানটির নাম রাখলেন পনূয়েল, “আমি ঈশ্বরকে সামনাসামনি দেখেছি, আর তাও আমার প্রাণরক্ষা হয়েছে।”

আদি পুস্তক 32:24‭-‬30 BCV

https://bible.com/bible/2412/gen.32.24-30.BCV

 

★গীতায় বলা-

 

যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত৷

অভ্যুত্থানমধর্মস্য তদাত্মানং সৃজাম্যহম্৷৷৭

 

অর্থ:  হে ভরত, যখনই ভারতে ধর্মের অধঃপতন হয় এবং অধর্মের অভ্যূত্থান হয় তখনই আমি নিজেকে প্রকাশ করে অবতীর্ণ হয়।

 

(গীতাঃ-শ্লোক ৭ - অধ্যায়ঃ ৪ - জ্ঞানযোগ)

 

(৮)আব্রাহামিক ধর্মে জলে বাপ্তাইজ নামে  পাপমোচন তথ্য চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★হাদিসে যমযম কূপের পানি বাপ্তাইজঃ-

আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট জিবরীল (‘আঃ) এলেন, তখন তিনি শিশুদের সাথে খেলছিলেন। তিনি তাঁকে ধরে শোয়ালেন এবং বুক চিরে ফেরে তাঁর হৃদপিণ্ডটি বের করে আনলেন। তারপর তিনি তাঁর বক্ষ থেকে একটি রক্তপিণ্ড বের করলেন এবং বললেন, এ অংশটি হলো শয়তানের। এরপর হৃদপিণ্ডটি একটি স্বর্ণের পাত্রে রেখে যমযমের পানি দিয়ে ধৌত করলেন এবং তার অংশগুলো জড়ো করে আবার তা যথাস্থানে পুনঃস্থাপর করলেন। তখন ঐ শিশুরা দৌড়ে তাঁর দুধ মায়ের (হালীমা-এর) কাছে গেল এবং বললো, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে হত্যা করা হয়েছে। কথাটি শুনে সবাই সেদিকে এগিয়ে গিয়ে দেখল তিনি ভয়ে বিবর্ণ হয়ে আছেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বুকে সে সেলাই এর চিহ্ন দেখেছি। (ই.ফা. ৩১০; ই.সে. ৩২১)

  

 

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩০২

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যমযমের পানি সম্পর্কে বলেন, “উহা বরকতময় পানি। উহা খাদ্যের কাজ করে।” (মুসলিম ২৪৭৩)

তায়ালাসী আরো একটু বৃদ্ধি করে বলেন, “এবং তাতে রয়েছে রোগের নিরাময়।”

  

১০০ সুসাব্যস্ত হাদিস, হাদিস নং ৫৬

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

আবূ জামরাহ যুবা’য়ী (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

তিনি বলেন, আমি মক্কায় ইব্‌নু আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট বসতাম। একবার আমি জ্বরাক্রান্ত হই। তখন তিনি আমাকে বললেন, ‘তুমি তোমার গায়ের জ্বর যমযমের পানি দিয়ে ঠাণ্ডা কর।’ কারণ, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এটা জাহান্নামের উত্তাপ হতেই হয়ে থাকে। কাজেই তোমরা তা পানি দিয়ে ঠাণ্ডা কর অথবা বলেছেন। যমযমের পানি দিয়ে ঠাণ্ডা কর। এ বিষয়ে বর্ণনাকারী হাম্মাম সন্দেহ পোষণ করেছেন।

  

 

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩২৬১

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

★বাইবেল জর্ডান নদী থেকে বাপ্তাইজ বিবরণঃ-

 

প্রভু এক, বিশ্বাস এক, বাপ্তিষ্ম এক,

ইফিষীয় 4:5 BCV

https://bible.com/bible/2412/eph.4.5.BCV

 

লোকেরা জেরুশালেম, সমস্ত যিহূদিয়া ও জর্ডনের সমগ্র অঞ্চল থেকে তাঁর কাছে যেতে লাগল। তারা নিজের নিজের পাপস্বীকার করে জর্ডন নদীতে তাঁর কাছে বাপ্তিষ্ম নিতে লাগল। এরপর যীশু যোহনের কাছে বাপ্তিষ্ম গ্রহণের জন্য গালীল প্রদেশ থেকে জর্ডনে এলেন। বাপ্তাইজিত হওয়ার পরে পরেই যীশু জল থেকে উঠে এলেন। সেই মুহূর্তে স্বর্গলোক উন্মুক্ত হল, আর তিনি দেখলেন, ঈশ্বরের আত্মা কপোতের আকারে তাঁর উপরে নেমে এসে অধিষ্ঠান করছেন। তখন স্বর্গ থেকে এক কণ্ঠস্বর শোনা গেল, “ইনিই আমার প্রিয় পুত্র, যাঁর উপরে আমি পরম প্রসন্ন।”

মথি 3:5‭-‬6‭, ‬13‭, ‬16‭-‬17 BCV

https://bible.com/bible/2412/mat.3.5-17.BCV

 

★মহাভারতে গঙ্গা নদী থেকে বাপ্তাইজ বিবরণঃ-

 

বিষ্ণুপদ ধৌত গঙ্গাকে ব্রহ্মা তার কমণ্ডুলতে ধারণ করলেন। ব্রহ্মা গঙ্গার ধারাকে ধরা অভিমুখে প্রক্ষিপ্ত করেন।

 

কৈলাসে দন্ডায়মান শিব গঙ্গাকে তার জটায় বেঁধে ফেলেন। তারপর তিনি একে একে জটা ছেড়ে ছেড়ে গঙ্গাকে বিভিন্ন শাখায় মুক্ত করেন। গঙ্গার একটি ভাগকে ভগীরথের পশ্চাৎধাবনের নির্দেশ দেয়া হয়। সেই অংশটি ভগীরথের পিছনে পিছনে অগ্রসর হতে থাকে। এ ধারাই কপিলের আশ্রমের সম্মুখে ভোগবতী নামে প্রবাহিত হয়ে সগরের পুত্রদের মুক্তি দান করে। ভগীরথ এই গঙ্গা আনয়ন করেছিলেন বলে গঙ্গার অপর নাম ভাগীরথী।

 

(গঙ্গার আগমন - রামায়ণ আদিকান্ড)

 

◆গঙ্গার স্নান বা বাপ্তাইজের গুরুত্বঃ-

 

গঙ্গা মুক্তি প্রদায়িনী। বিষ্ণুর পদ ধৌত জল। বিষ্ণু চরনামৃত। তাই অতি পবিত্র। গঙ্গা শঙ্করমৌলি নিবাসিনী। অর্থাৎ শিবের জটায় বাস। এজন্য ও গঙ্গা পবিত্র।জাহ্নবী গঙ্গা বর প্রাপ্ত যে, তার স্পর্শে পতিত জীব উদ্ধার পাবে।

এছাড়াও বেদে গঙ্গা নদীর গুরুত্বপূর্ণঃ-

 

ঋগ্বেদ ৩।৫৮।৬ অংশে বলা হয়েছে "হে বীরগণ, তোমাদের আদিভূমি, তোমাদের পবিত্র সঙ্গীগণ, তোমাদের ধনসম্পদ সবই জাহ্নবীর তীরে।" সম্ভবত এই স্তোত্রে গঙ্গার কথাই বলা হয়েছে।

 

 ঋগ্বেদ ১।১১৬।১৮-১৯ অংশে জাহ্নবী ও গাঙ্গেয় ডলফিনের উল্লেখ পাওয়া যায়।

 

(৯)এব্রাহামিক রিলিজিয়নে খৎনা বিধান চুরি করেছে হিন্দুধর্মঃ-

 

খৎনা শব্দের অর্থ: লিঙ্গচ্ছেদ(লিঙ্গ+বিচ্ছেদ/ব্যবচ্ছেদ), লিঙ্গের অগ্রভাগ কর্তন, এককথায় লিঙ্গের সামনের চামড়া কেটে ফেলা, লিঙ্গছেদন।

 

★বাইবেলে বলাঃ-

আমার এই যে ব্যবস্থা, যার চিহ্ন হিসাবে তোমাদের প্রত্যেকটি পুরুষের খৎনা করাতে হবে, তা তোমার ও তোমার বংশের লোকদের মেনে চলতে হবে। তোমাদের প্রত্যেকের পুরুষাংগের সামনের চামড়া কেটে ফেলতে হবে। তোমার ও আমার মধ্যে এই যে ব্যবস্থা স্থির করা হল, এটাই হবে তার চিহ্ন। বংশের পর বংশ ধরে তোমাদের প্রত্যেকটি পুরুষ সন্তানের জন্মের আট দিনের দিন এই খৎনা করাতে হবে। তোমার বংশের কেউ না হয়ে তোমার বাড়ীর গোলাম হলেও তাদের সবাইকে এই খৎনা করাতে হবে, তা তারা তোমার বাড়ীতে জন্মেছে এমন কোন গোলামের সন্তানই হোক বা টাকা দিয়ে বিদেশীর কাছ থেকে কিনে নেওয়া গোলামই হোক। আমি আবার বলছি, যে গোলাম তোমার বাড়ীতে জন্মেছে কিংবা যাকে টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে, তাদের প্রত্যেককে খৎনা করাতেই হবে। এটাই হবে তোমাদের শরীরে আমার চিরকালের ব্যবস্থার চিহ্ন। যে লোকের পুরুষাংগের সামনের চামড়া কাটা নয় তাকে তার জাতির মধ্য থেকে মুছে ফেলা হবে, কারণ সে আমার ব্যবস্থা অমান্য করেছে।”

 

পয়দায়েশ 17:10‭-‬14 MBCL

https://bible.com/bible/95/gen.17.10-14.MBCL

 

★হাদিসে খৎনা বিধানঃ-

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ পাঁচটি বিষয় ফিত্বরাতের অন্তর্ভুক্তঃ (১) খৎনা করা, (২) নাভির নীচের লোম পরিষ্কার করা, (৩) বগলের লোম উপড়ে ফেলা, (৪) নখ কাটা এবং (৫) মোঁচ ছাঁটা।

  

 

সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪১৯৮

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

একই তত্ত্ব আমরা হিন্দুধর্মেও পাইঃ-

তার আগে বলে রাখি,পুরাণ হলো বেদ সিদ্ধ গ্রন্থ।এ ব্যাপারে বেদেই বলা-

 

ঋক, সাম, ছন্দ ও যজুমন্ত্রগুলি পুরানের আখ্যানের সাথে ব্রহ্ম থেকে জাত হয়েছে।

 

(অর্থববেদ কান্ড-১১/অনুবাক-৪/সূক্ত-৩/মন্ত্র-৩, অনুবাদকঃ বিজনবিহারী গোস্বামী)

 

Verses, and Songs, and magic hymns, Purāna, sacrificial text.

All the celestial Gods whose home is heaven sprang from the

Residue

 

(লিংকঃ-Atharva Veda 11.7.24 https://www.sacred-texts.com/hin/av/av11007.htm)

 

সুতরাং পৌরণিক ভগবান বিষ্ণুর সর্বশেষ বা ১০ম অবতার হলেন কল্কি অবতার। কল্কি হবেন খৎনার অধিকারী রাজা এবং দস্যু বিনাশকঃ-

 

অশ্বমাশুয়া গমমারুহ্য দেবদত্তং জগৎপতিঃ

অসিনা সাধুদমষ্টৈশ্বর্য্য গুনান্বিত ||১৯||”

 

সরলার্থঃ অশ্বে আরোহনকারী দেবদত্তের জগৎপতি দ্রুতগামিন হলেন অসাধুদমনে

এবং তিনি অষ্টৈশ্বয্য গুনান্বিত।

 

বিচরন্নাশুয়া ক্ষৌণাং হয়েনা প্রতিমদ্যুতিঃ

নৃপ লিঙ্গচ্ছেদো দুস্যুন কোটিশে নিহনিষ্যতি ||২০||

 

সরলার্থঃ খড়্গ/তলোয়ার নিয়ে পৃথিবীতে অবতারণ করেন আলোকিত হয়ে। লিঙ্গচ্ছেদধারী (খৎনাধারী) রাজা/নৃপতি হিসেবে কোটি/অসংখ্য দস্যুদের নিহত করান।

 

(ভাগবত পুরাণ ১২/২/১৯-২০)

 

এছাড়া স্কলার লেখা থেকেও শিবের খৎনা ধারনা আমরা পাই।যেমনঃ-

 

প্রেমোত্তয় হইয়া আলিঙ্গনে পৃথিবীকে আবারিত করিতে যাইবে অমনি ক্রোশোষ অস্ত্র দ্বারা লিঙ্গচ্ছেদ করিয়া সমুদ্রে নিক্ষেপ করিল।বৃদ্ধ আকাশ খোজা হইয়া পড়িলেন। ঐ কর্ত্তনস্থল হইতে যে অজস্র রক্ত পৃথিবীতে পড়য়াছিল,পৃথিবী তাহাতে গর্ভবতী হইয়া ক্রমান্বয়ে ভীষনাত্রয় নানা জাতীয় দানব ও অসংখ্য দানবী প্রসব করিল। ইহারা সমগ্র দেশ ব্যাপন করিয়া যথাসুখে বিচরন করিতে লাগিল

 

(গ্রিক ও হিন্দুধর্ম, লেখকঃ- প্রফুল্লচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়, পৃ ৭২৭)

 

(১০)এব্রাহামিক ধর্মের পর্দাপ্রথা বিধান চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

রিবিকাও উপর দিকে তাকালেন এবং ইস্‌হাককে দেখতে পেলেন। তিনি তাঁর উটের পিঠ থেকে নেমে সেই দাসকে জিজ্ঞাসা করলেন, “ক্ষেত থেকে যিনি আমাদের সাথে দেখা করতে এগিয়ে আসছেন, তিনি কে?” “তিনি আমার প্রভু,” সেই দাস উত্তর দিলেন। অতএব রিবিকা তাঁর ঘোমটা টেনে এনে নিজের মুখ ঢাকলেন।

আদি পুস্তক 24:64‭-‬65 BCV

https://bible.com/bible/2412/gen.24.64-65.BCV

 

কোনো নারী যদি তার মস্তক আবৃত না করে, তাহলে তার চুল কেটে ফেলাই উচিত; কিন্তু চুল কেটে ফেলা বা মুণ্ডন করা যদি নারীর কাছে অবমাননাকর বলে মনে হয়, সে তার মস্তকে আবরণ দিক। কোনো পুরুষ অবশ্যই তার মস্তক আবৃত করবে না, কারণ সে ঈশ্বরের প্রতিমূর্তি ও গৌরব; কিন্তু নারী পুরুষের গৌরব। কারণ পুরুষের উদ্ভব নারী থেকে নয়, কিন্তু নারীর উদ্ভব পুরুষ থেকে। আবার, পুরুষের সৃষ্টি নারীর জন্য হয়নি, কিন্তু নারীর সৃষ্টি হয়েছে পুরুষের জন্য। এই কারণে ও স্বর্গদূতদের জন্য, নারী তার মস্তকে কর্তৃত্বের চিহ্ন রাখবে।

1 করিন্থীয় 11:6‭-‬10 BCV

https://bible.com/bible/2412/1co.11.6-10.BCV

 

★কোরানে বলা-হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।

(সূরাঃ আল আহযাব, আয়াতঃ ৫৯)

 

তোমরা গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।

(সূরাঃ আল আহযাব, আয়াতঃ ৩৩)

 

একই বিধাম আমরা পবিত্র বেদে পাই-

 

১৯। হে প্রয়োগিন! তুমি অধোদেশ নিরীক্ষণ কর, উৰ্দ্ধদেশ নিরীক্ষণ করিও না। পাদদ্বয় সংশ্লিষ্ট কর, অবয়ব গোপন কর, যেহেতু তুমি স্তোতা হইয়াও স্ত্রী হইয়াছ

(ঋগ্বেদ ৮/৩৩/১৯,

লিংকঃ-https://www.ebanglalibrary.com/23607/%e0%a6%8b%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a7%a6%e0%a7%ae%e0%a5%a4%e0%a7%a6%e0%a7%a9%e0%a7%a9/)

 

২৬। পূষা তোমাকে হস্তে ধারণ করিয়া এস্থান হইতে লইয়া যাউন। অশ্বিদ্বয় তোমাকে রথে বহন করুন। হে নারী! গৃহে যাইয়া গৃহের কর্তী হও। তোমায় গৃহের সকলের উপর প্রভু হইয়া প্রভুত্ব কর।

 

২৭। এই স্থানে সন্তানসন্ততি জন্মিয়া তোমার প্রীতিলাভ হউক। এই গৃহে সাবধান হইয়া গৃহকাৰ্য্য সম্পাদন কর। এই স্বামির সহিত আপন শরীর সম্মিলিত কর, বৃদ্ধাবস্থা পর্যন্ত নিজ গৃহে প্রভুত্ব কর।

 

(ঋগ্বেদ ১০/৮৫/২৬-২৭)

 

৪২। হে বরবধু! তোমরা এইস্থানেই উভয়ে থাক, পরস্পর পৃথক হইও না, নানা খাদ্য ভোজন কর, আপন গৃহে থাকিয়া পুত্র পৌত্রদিগের সঙ্গে আমোদ আহলাদ ও ক্রীড়া বিহার কর(১৪)।

 

৪৩। প্রজাপতি আমাদিগের সন্তানসন্ততি উৎপাদন করিয়া দিন, অৰ্য্যমা আমাদিগকে বৃদ্ধাবস্থা পর্যন্ত মিলন করিয়া রাখুন। হে বধূ! তুমি উৎকৃষ্ট কল্যাণসম্পন্ন হইয়া পতিগৃহে অধিষ্ঠান কর। আমাদিগের দাসদাসী এবং আমাদিগের পশুগণের মঙ্গল বিধান কর(১৫) ।

 

৪৪। তোমার চক্ষু যেন দোষ শূন্য হয়, তুমি পতির কল্যাণকরী হও, পশুদিগের মঙ্গলকারিণী হও, তোমার মা যেন প্রফুল্ল এবং লাবণ্য, যেন উজ্জল হয়। তুমি বীরপুত্র প্রসবিনী এবং দেবতাদিগের প্রতি ভক্ত হও। আমাদিগের দাস দাসী, (ইত্যাদি পূর্বঋকের শেষ অংশের সহিত এক)।

 

৪৫। (ইন্দ্রের নিকট প্রার্থনা) হে বৃষ্টি বর্ষণকারী ইন্দ্ৰ! এই নারীকে তুমি উৎকৃষ্ট পুত্রবতী ও সৌভাগ্যবতী কর। ইহার গর্ভে দশ পুত্র সংস্থাপন কর, পতিকে লইয়া একাদশ ব্যক্তি কর।

 

৪৬। তুমি শ্বশুরের উপর প্রভুত্ব কর, শ্বশ্রূকে বশ কর, ননদ ও দেবরগণের উপর সম্রাটের ন্যায় হও।

(ঋগ্বেদ ১০/৮৫/৪২-৪৪

লিংকঃ-https://www.ebanglalibrary.com/13657/%e0%a6%8b%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%a6-%e0%a7%a7%e0%a7%a6%e0%a5%a4%e0%a7%a6%e0%a7%ae%e0%a7%ab/)

 

(১১)এব্রামিক ধর্মে 

 সন্ন্যাসবাদ তথ্য চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেলঃ-যিশুর জন্য দুনিয়া ও সংসার ত্যাগ তথা সন্নাসীব্রত পালনঃ-

 

And every one that hath forsaken houses, or brethren, or sisters, or father, or mother, or wife, or children, or lands, for my name's sake, shall receive an hundredfold, and shall inherit everlasting life.

Matthew 19:29 KJV

https://bible.com/bible/1/mat.19.29.KJV

 

বাংলা অনুবাদঃ-আর যে কেউ আমার নামের জন্য ঘরবাড়ি, ভাই, বোন, বাবা, মা, স্ত্রী, ছেলেমেয়ে বা জমি ত্যাগ করেছে, সে শতগুণ পাবে এবং অনন্ত জীবনের অধিকারী হবে।

 

যীশু তাদের বললেন, “আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, এমন কেউ নেই, যে ঈশ্বরের রাজ্যের জন্য নিজের ঘরবাড়ি, অথবা স্ত্রী, ভাই, বাবা-মা, বা সন্তানসন্ততি ত্যাগ করেছে, সে এই জীবনে তার বহুগুণ এবং আগামী যুগে অনন্ত জীবন লাভ করবে না।”

লূক 18:29‭-‬30 BCV

https://bible.com/bible/2412/luk.18.29-30.BCV

 

★কোরানে বলা-অতঃপর আমি তাদের পশ্চাতে প্রেরণ করেছি আমার রসূলগণকে এবং তাদের অনুগামী করেছি মরিয়ম তনয় ঈসাকে ও তাকে দিয়েছি ইঞ্জিল। আমি তার অনুসারীদের অন্তরে স্থাপন করেছি নম্রতা ও দয়া। আর বৈরাগ্য, সে তো তারা নিজেরাই উদ্ভাবন করেছে; আমি এটা তাদের উপর ফরজ করিনি; কিন্তু তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্যে এটা অবলম্বন করেছে। অতঃপর তারা যথাযথভাবে তা পালন করেনি। তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাসী ছিল, আমি তাদেরকে তাদের প্রাপ্য পুরস্কার দিয়েছি। আর তাদের অধিকাংশই পাপাচারী।

(সূরাঃ আল হাদীদ, আয়াতঃ ২৭)

 

হে ঈমানদারগণ! পন্ডিত ও সংসারবিরাগীদের অনেকে লোকদের মালামাল অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলছে এবং আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত রাখছে। আর যারা স্বর্ণ ও রূপা জমা করে রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে, তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।

(সূরাঃ আত তাওবাহ, আয়াতঃ ৩৪)

 

এবার বেদে সন্ন্যাস বাদ দেখতে পাই-

 

ব্রহ্মচর্য পালন অর্থ হল সম্পূর্ণ কাম-বাসনাশূণ্য জীবন যাপন করা যা আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য অপরিহার্য । পুরুষ ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে ব্রহ্মচারী এবং নারী ব্রহ্মচর্য পালনকারীকে ব্রহ্মচারিনী বলে।

 

★অর্থববেদে আমরা পাই-

 

সকাল সন্ধ্যায় অগ্ন্যাধান জনিত সন্দীপ্ত,কৃষ্ণাজিন পরিহিত, দীক্ষিত (ভিক্ষাচরণাদি নিয়ম যুক্ত),দর্ঘী -শ্মাশ্রু (দীর্ঘ দাঁড়ি) ব্রহ্মচারী পূর্বে সমুদ্র থেকে উত্তর সমুদ্রে গমন করে অর্থাৎ তার তপস্যা মহিমা  ব্যাপ্ত হয়।তিনি পৃথিবীর, অন্তরিক্ষাদি লোক হাতে ধরে চলেন অর্থাৎ সকল লোক তার বশীভূ হয়।

 

ব্রহ্মচারী ব্রহ্মচর্য মহিমার দ্বারা ব্রাহ্মাণ জাতি,স্নান পানাদির জন্য গঙ্গাদি নদী,স্বর্গাদি লোক,প্রজাদের স্রষ্টা অবান্তর সৃষ্টিকারী প্রজাপতি,সত্যলোকে অবস্থানকারী আদি ব্রহ্মা পরমেষ্ঠী ও স্থল প্রপঞ্চ শরীরাভিমানী বিরাট পুরুষকে উৎপন্ন করছে

(অর্থববেদ কান্ড-১১/অনুবাক-৩/সূক্ত-১/মন্ত্র-৫,৬,অনুবাদক-শ্রী বিজন বিহারী গোস্বামী)

 

(১২)এব্রাহামিক ধর্ম ইসলামের সূরা ফাতেহা আদলে গায়েত্রী মন্ত্র উদ্ভবনঃ-

 

ॐ भूर्भुवः स्वः

तत्स॑वितुर्वरे॑ण्यं

भर्गो॑ देवस्य॑ धीमहि।

धियो यो नः॑ प्रचोदया॑त्

 

(ওঁম ভূর্ভুবঃ স্বঃ তৎ সবিতুর্বরেণ্যং ভর্গো দেবস্য ধীমহি।

ধিয়ো য়ো নঃ প্রচোদয়াৎ।।)

 

[ঋগবেদ ৩.৬২.১০,যজুর্বেদ ৩.৩৫,৩০.২,সামবেদ

উত্তরার্চ্চিক ৬.৩.১০]

 

অনুবাদ -হে ঈশ্বর!আপনি জীবনদাতা,বেদনা ও দুঃখ দূরীকরণকারী।সুখের দাতা,

হে জগৎসমূহের প্রতিপালক!

আমরা আপনাকে পরমভাবে গ্রহণ করি।পাপ ধ্বংসকারী আলো,আপনি আমাদের বুদ্ধিকে পথ সঠিক পথে পরিচালনা করুন।

 

এখানে কয়েকটি অংশ পাইঃ-

১)ঈশ্বরের নামে আরম্ভ,যিনি 

দুঃখদূর কারী।

 

২)ঈশ্বর জগতের স্রষ্টা

 

৩)ঈশ্বরকে পরমভাবে গ্রহন

 

৪)ঈশ্বর সৎ/শুভ পথে পরিচালনা করেন

 

এই চার কনসেপ্ট সূরা ফাতিহা-তে বর্ণিতঃ-

 

১)আল্লাহর নামে শুরু করছি

যিনি পরম করুণাময় ও অতি দয়ালু(অর্থাৎ দয়ালু বলে দূঃখ দূরকারী)

 

২)যিনি(আল্লাহ) জগতসমূহের প্রতিপালক

 

৩)আমরা আপনারই এবাদত করি আপনার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করি

 

৪)আপনি আমাদের সঠিক পথ দেখান।

 

(আল-কুরআন ১ঃ১,২,৫,৬)

 

(১৩)এব্রাহামিক ধর্মে দাসী গর্ভে সন্তান উৎপাদন তথ্য চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেল বলা-

অব্রামের স্ত্রী সারী, তাঁর জন্য কোনও সন্তানের জন্ম দেননি। কিন্তু সারীর এক মিশরীয় ক্রীতদাসী ছিল, যার নাম হাগার; তাই সারী অব্রামকে বললেন, “সদাপ্রভু আমাকে নিঃসন্তান করে রেখেছেন। যাও, আমার ক্রীতদাসীর সঙ্গে গিয়ে শোও; হয়তো তার মাধ্যমে আমি এক পরিবার গড়ে তুলতে পারব।” সারীর কথায় অব্রাম সম্মত হলেন। অতএব অব্রাম কনানে দশ বছর বসবাস করার পর, তাঁর স্ত্রী সারী মিশরীয় ক্রীতদাসী হাগারকে নিয়ে তাকে নিজের স্বামীর স্ত্রী হওয়ার জন্য তাঁর হাতে তুলে দিলেন। অব্রাম হাগারের সঙ্গে সহবাস করলেন, এবং সে গর্ভবতী হল। হাগার যখন জানতে পারল যে সে গর্ভবতী হয়েছে, তখন সে তার মালকিনকে অবজ্ঞা করতে লাগল।

 

আদি পুস্তক 16:1‭-‬4 BCV

https://bible.com/bible/2412/gen.16.1-4.BCV

 

★কোরান বলে-আর তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি স্বাধীন মুসলমান নারীকে বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে না, সে তোমাদের অধিকারভুক্ত  ক্রীতদাসীরা মুসলিম হলে

তাদেরকে বিয়ে করবে। আল্লাহ তোমাদের ঈমান সম্পর্কে ভালোভাবে জ্ঞাত রয়েছেন। তোমরা পরস্পর এক, অতএব, তাদেরকে তাদের মালিকের অনুমতিক্রমে বিয়ে কর এবং নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর এমতাবস্থায় যে, তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবে-ব্যভিচারিণী কিংবা উপ-পতি গ্রহণকারিণী হবে না। অতঃপর যখন তারা বিবাহ বন্ধনে এসে যায়, তখন যদি কোন অশ্লীল কাজ করে, তবে তাদেরকে স্বাধীন নারীদের অর্ধেক শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ব্যবস্থা তাদের জন্যে, তোমাদের মধ্যে যারা ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে ভয় করে। আর যদি সবর কর, তবে তা তোমাদের জন্যে উত্তম। আল্লাহ ক্ষমাশীল, করুণাময়।

(সূরাঃ আন নিসা, আয়াতঃ ২৫)

 

★অনুরূপ তথ্য পাই আমরা পাই মহাভারতে-

 

আরে ভীষ্ম তোর ভাই স্বধর্ম্মেতে ছিল।

সুপথে বিচিত্রবীর্য্য জন্ম গোয়াঁইল।।

সে মরিল নিজ ভার্য্যা দিয়া অন্যজনে।

তুমি দুরাচার জন্মাইলে পুত্রগণে।

 

(মহাভারত,অষ্টাদশ পর্ব,সভাপর্ব্ব,পদ্যছন্দাকারে অনুবাদক-পন্ডিত কাশীরাম দাস,অক্ষয় লাইব্রেরী,পৃঃ-৩১৪,)

 

ভাবার্থঃ-শিশুপাল ভীষ্মকে বিদুরের বিষয়ে ইংগিত করে বলছে-ভীষ্ম!!তোমার ভাই (বিদুর) স্বধর্মে কারনে ছিল।

বিচিত্র বীর্য ছিলেন নিঃসন্তান।তারঁ মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী অম্বিকা ও অম্বালিকার গর্ভে ব্যাস দেবের নিয়োগপ্রথায়/সহবাসে যথাক্রমে ধৃতরাষ্ট্র ও পান্ডুর জন্ম হয় এবং ব্যাস দেবের নিয়োগপ্রথায় বিচিত্রবীর্যের প্রথম স্ত্রীর দাসীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন বিদুর। 

বিদুর অত্যন্ত ধর্মশীল, ধীমান, সুক্ষ দর্শী ছিলেন।

 

তুমি ভীষ্ম!তুমি তোমার ভাইদের বউকে সম্ভোগ করতেছিলে।কত বড় দুরাচার!

 

★বিদুর প্রতি মহাভারতের দৃষ্টিভঙ্গিঃ-

ভীষ্ম বিদুরকে সন্তানের মতো করে প্রতিপালিত করেন। ভীষ্মের তত্ত্বাবধানে তিনি ধনুর্বেদ, গজশিক্ষা, নীতিশাস্ত্র, ইতিহাস, পুরাণ প্রভৃতিতে শিক্ষিত হয়ে উঠেছিলেন। ব্রাহ্মণের ঔরসে শূদ্রা জননীর গর্ভে জন্মেছিলেন বলে- রাজ্যে তার কোন অধিকার ছিল না। ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডুর বিবাহের পরপরই ভীষ্ম রাজা দেবকের শূদ্রা স্ত্রীর গর্ভজাতা কন্যার সাথে বিদুরের বিবাহ দিয়েছিলেন। তিনি ধৃতরাষ্ট্রের মহামন্ত্রী ছিলেন। তারপরেও তিনি ধৃতরাষ্ট্রের অধর্মকে কখনও প্রশ্রয় দেননি। দুর্যোধনের জন্মের সময় দুর্লক্ষণ দেখে ইনি ধৃতরাষ্ট্রকে এই সন্তান পরিত্যাগ করতে বলেছিলেন। এই উপদেশে ধৃতরাষ্ট্র কান দেন নি। তার সহায়তার ফলেই জতুগৃহ-ষড়যন্ত্র থেকে পাণ্ডবেরা রক্ষা পেয়েছিলেন। ধৃতরাষ্ট্র দ্রুপদপুরী থেকে কুন্তী ও দ্রৌপদীসহ পঞ্চপাণ্ডবকে হস্তিনাপুরে আনার জন্য বিদুরকে প্রেরণ করেছিলেন।

 

(১৪)এব্রাহামিক ধর্মে সেজদা নিয়ম চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

সংষ্কৃততে প্রণাম,নমঃস্কার-নতজানু হওয়া,মাথা নত করা।

 

এব্রামিক ধর্মে-সেজদা/প্রণাম দুই ধরণের।যথাঃ-

 

১)সেজদা ইবাদাহ

(ঈশ্বরকে সেবা করতে প্রণাম/সেজদা)

 

২)সেজদা আদমে

(মানুষকে সম্মানসূচক সেজদা)

 

★বাইবেলে বলা-

ইষ্রা মহান ঈশ্বর সদাপ্রভুর গৌরব করলেন, আর সমস্ত লোক হাত তুলে উত্তর দিল, “আমেন! আমেন!” তারপর তারা মাটিতে মাথা ঠেকিয়ে সদাপ্রভুর আরাধনা করল।

নহিমিয় 8:6 BCV

https://bible.com/bible/2412/neh.8.6.BCV

 

এটা হলো সেজদা ইবাদাহ।

 

যীশু ও পিতর নৌকায় উঠলে পর ঝোড়ো বাতাস থেমে গেল। যাঁরা নৌকায় ছিলেন তাঁরা যীশুকে প্রণাম করে বললেন, “আপনি সত্যিই ঈশ্বরের পুত্র।”

মথিলিখিত সুসমাচার 14:32‭-‬33 BERV

https://bible.com/bible/3150/mat.14.32-33.BERV

 

এটা হলো সেজদা আদমে,সম্মানসূচক সেজদা,সম্মানিত লোককে দেয়া হয়।

 

★কোরানে বলাঃ-

অতএব আল্লাহকে সেজদা কর এবং তাঁর এবাদত কর।

(সূরাঃ আন-নাজম, আয়াতঃ ৬২)

এটা সেজদা ইবাদাহ

 

ইউসুফ পিতা-মাতাকে সিংহাসনের উপর বসালেন এবং তারা সবাই তাঁর সামনে সেজদাবনত হল। তিনি বললেনঃ পিতা এ হচ্ছে আমার ইতিপূর্বেকার স্বপ্নের বর্ণনা আমার পালনকর্তা একে সত্যে পরিণত করেছেন এবং তিনি আমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। আমাকে জেল থেকে বের করেছেন এবং আপনাদেরকে গ্রাম থেকে নিয়ে এসেছেন, শয়তান আমার ও আমার ভাইদের মধ্যে কলহ সৃষ্টি করে দেয়ার পর। আমার পালনকর্তা যা চান, কৌশলে সম্পন্ন করেন। নিশ্চয় তিনি বিজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

(সূরাঃ ইউসূফ, আয়াতঃ ১০০)

 

এটা সেজদা আদমে,সম্মানসূচক প্রকাশ করতে এই সেজদা।

 

★বেদে আমরা একই তথ্য পাই-

 

प्राणाय नमो यस्य सर्वमिदं वशे । यो भूतः सर्वस्येश्वरो यस्मिन्त्सर्वं प्रतिष्ठितम् ॥१॥

 

(প্রণায় নমো যস্য সর্বমিদম বশে।য়ো ভূতাঃ সর্বস্য শ্লোকা যস্মিন্ তত্ সর্বম প্রতিস্থাম্)

 

অনুবাদঃ-সেই প্রাণস্বরূপ ঈশ্বরকে নমঃস্কার/প্রণাম জানাই,সমগ্র জগত যার নিয়ন্ত্রণে।

 

(অর্থববেদ ১১/৪/১)

 

এটা সেজদা ইবাদাহ,ঈশ্বরকে উপাসনাসরূপ সেজদা।

 

नमः सोम्याय च प्रतिसर्याय च नमो याम्याय च क्षेम्याय च नमः श्लोक्याय चावसान्याय च नम उर्वर्याय च खल्याय च ॥३३॥

 

(নমো জেষ্ঠ্যায় চ কনিষ্ঠায় চ নমঃ পূর্বজায় চাপরজায় চ।নমো মধ্যমায় চাপগলভায় চ নমো জঘন্যায় বুধ্ন্যায় চ)

 

অনুবাদ- নমষ্কার জৈষ্ঠদেরকে,নমষ্কার কনিষ্ঠদেরকে,নমষ্কার উচ্চবিত্তদেরকে,নমষ্কার মধ্যবিত্ত,নমষ্কার গরীবদেরকে,নমষ্কার গাভীসমূহ ও বৃক্ষানাদিকে।

 

(শুক্ল যর্জুবেদ ১৬/ ৩২)

 

এটা সেজদা আদমে,সকলকে সম্মানসূচক প্রকাশ করতে এই সেজদা/প্রণাম/নমষ্কার।

 

(১৫)এব্রাহামিক ধর্মে চন্দ্রমাস গণনা রীতি হিন্দুধর্মে তীথি রূপে প্রবর্তনঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

তোমাদের আনন্দের দিনেও, অর্থাৎ তোমাদের নিরূপিত পর্বসমূহে ও পূর্ণিমার উৎসবে, তোমাদের হোম-নৈবেদ্যের ও মঙ্গলার্থক-নৈবেদ্য উৎসর্গ করার সময়ে, তোমরা তূরী বাজাবে। সেসব ঈশ্বরের সামনে তোমাদের জন্য স্মারকরূপে হবে। আমিই সদাপ্রভু তোমাদের ঈশ্বর।”

 

গণনা পুস্তক 10:10 BCV

https://bible.com/bible/2412/num.10.10.BCV

 

★কোরানে বলা-তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে নতুন চাঁদের বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম। আর পেছনের দিক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করার মধ্যে কোন নেকী বা কল্যাণ নেই। অবশ্য নেকী হল আল্লাহকে ভয় করার মধ্যে। আর তোমরা ঘরে প্রবেশ কর দরজা দিয়ে এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা নিজেদের বাসনায় কৃতকার্য হতে পার।

(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৮৯)

 

★অনুরূপ আমরা বেদে পাই-

 

প্রসংগক্রমে পুরুষার্থ লাভের জন্য দেবগন নিয়ম বলছেন-অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে স্ত্রী সহবাস করবে না,করলে সামর্থ্যহীন হয়ে পড়বে।

(কৃষ্ণ যর্জুবেদ ২/৫/৬,অনুবাদকঃ-শ্রী বিজন বিহারী গোস্বামি)

 

(১৬)এব্রাহামিক ধর্মের স্বর্গীয় কুমারী  স্ত্রী দেওয়া বিধান চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

 

“সেই সময়ে স্বর্গরাজ্য হবে এমন দশজন কুমারীর মতো, যারা তাদের প্রদীপ হাতে নিয়ে বরের সঙ্গে মিলিত হতে গেল।

মথি 25:1 BCV

https://bible.com/bible/2412/mat.25.1.BCV

 

And every one that hath forsaken houses, or brethren, or sisters, or father, or mother, or wife, or children, or lands, for my name's sake, shall receive an hundredfold, and shall inherit everlasting life.

Matthew 19:29 KJV

https://bible.com/bible/1/mat.19.29.KJV

 

বাংলা অনুবাদঃ-আর যে কেউ আমার নামের জন্য ঘরবাড়ি, ভাই, বোন, বাবা, মা, স্ত্রী, ছেলেমেয়ে বা জমি ত্যাগ করেছে, সে শতগুণ পাবে এবং অনন্ত জীবনের অধিকারী হবে।

 

★কোরানে বলাঃ-

আমি জান্নাতী রমণীগণকে বিশেষরূপে সৃষ্টি করেছি।

অতঃপর তাদেরকে করেছি চিরকুমারী।

কামিনী, সমবয়স্কা।

বিচারের দিনে ডান দিকের লোকদের জন্যে।

(সূরাঃ আল ওয়াক্বিয়া,৫৬/৩৫-৩৮)

 

★বেদে বহু স্ত্রী দেবার প্রতিশ্রুতি

 

স্বর্গলোকে অবস্থিত এদের(বাসী) ভোগ সাধন শিশ্ন (পুরুষাংগ) ইন্দ্রিয়  জাতবেদা অগ্নি/আগুন তা দগ্ধ করেনা অর্থাৎ নিবীর্য করেনা।সুকৃত (সৎকর্মের) ফলোপ ভোগস্থানে এ সুকৃতদের (সৎকর্মীদের) ভোগের জন্য বহু স্ত্রী আছে।

 

[গ্রিফিথ ভাষ্য অর্থববেদ ৪/৩৪/২

হরফ প্রকাশনী:- অনুবাদক:- বিজন বিহারী গোস্বামী👉👉অর্থববেদ কান্ড ৪,৭ম অনুবাদক,,সুক্ত ৪,,মন্ত্র ১-২,পৃ:- ১৩১]

বেদসমগ্র:-আলোক কুমার সেন,,,,

নারায়ণ পুস্তকালয়, পৃ:-৯২৮]

 

(১৭)এব্রাহামিক ধর্মের বহুবিবাহ নিয়ম চুরিঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

শলোমনের 700 জন স্ত্রী ছিল। (যারা সকলেই অন্যান্য দেশের নেতাদের কন্যা।) এছাড়াও তাঁর 300 জন ক্রীতদাসী উপপত্নী ছিল। শলোমনের পত্নীরা তাঁকে ঈশ্বর বিমুখ করে তুলেছিল।

রাজাবলির প্রথম খণ্ড 11:3 BERV

https://bible.com/bible/3150/1ki.11.3.BERV

 

★কোরানে বলাঃ-

হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।

(সূরাঃ আত-তাহরীম, আয়াতঃ ১)

 

★বেদে বলাঃ-

সে দুটি উষা,ছন্দোযুক্ত,অতিশয় প্রকাশমান,কালসামান্যে উভয়ের প্রকাশস্থান এক,তারা দুজনে সূর্যদেবের পত্নী,নিজেদের দেবতা জ্ঞান আছে।

(কৃষ্ণ যর্জুবেদ ৪/৫/১১,অনুবাদকঃ-শ্রী বিজনবিহারী গোস্বামী)

 

ঋগবেদে বহুবিবাহ:-

গ্রিফিথ ভাষ্য ১০/১৫৯/৫-৬

 

असपत्ना सपत्नघ्नी जयन्त्यभिभूवरी । आवृक्षमन्यासां वर्चो राधो अस्थेयसामिव॥५॥

 

উচ্চারণ:-

অস্পত্না সপত্নাঘনি জয়ন্ত্যবিভূরী।  অবৃক্ষ্মণ্যসং বর্চো রাধো অস্থেয়সমিভ ॥5॥

 

হিন্দি:-मैं सपत्नियों का विनाश करके उन पर विजय प्राप्त करने वाली हैं। अस्रि व्यक्तियों के तेज और ऐश्वर्य की भाँति मैं सभी सपत्नियों के तेज और धन को विनष्ट करती हूँ ॥५॥

 

বাংলা:-আমি স্ত্রীদের বিধবা করতেই  যুদ্ধে জয় করতে যাচ্ছি। রাজাদের সুনাম ও সম্পদের মতো আমি সকল স্ত্রীর উজ্জ্বলতা হারাই ও সম্পদ বিনষ্ট করি ৫॥

 

समजैषमिमा अहं सपत्नीरभिभूवरी । यथाहमस्य वीरस्य विराजानि जनस्य च॥६॥

 

 সামাজাইসমিমা অহং স্ত্রী রবিভুবরী.  যথহমস্যা বিরস্যা বিরজানি জনস্য চ 6 ॥

 

6. I have subdued as conqueror these rivals, these my fellow-wives, That I may hold imperial sway over this Hero and the folk.

 

হিন্দি:-सबको पराजित करने में समर्थ मैं सभी इन सपत्नियों पर विजय प्राप्त करती हूँ। मैं अपने स्वामी वीर (इन्द्रदेव) और उनके कुटुम्बियों को भी अपने अधिकार में रखती हूँ ॥६॥

 

বাংলা:-সকলকে পরাজিত করতে সক্ষম,  শত্রুর আটককৃত আমার এই সমস্ত স্ত্রীদেরকে জয় করি।  আমি আমার প্রভু বীর (ইন্দ্রদেব) এবং তাঁর আত্মীয়দেরও আমার অধিকারে রাখি৷

 

(১৮)এব্রাহামিক ধর্মে শিশু বিবাহ নিয়ম চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

(Also he bade them teach the children of Judah the use of the bow: behold, it is written in the book of Jasher.)

2 Samuel 1:18 KJV

https://bible.com/bible/1/2sa.1.18.KJV

 

সুতরাং Book of Jasher বাইবেল অংশবিশেষ গ্রন্থ।এ গ্রন্থে আমরা বাল্যবিবাহ তত্ত্ব পাইঃ-

 

40 And the young woman was of very comely appearance, she was a virgin, and Rebecca was ten years old in those days.

 

44 And Isaac took Rebecca and she became his wife, and he brought her into the tent.

 

45 And Isaac was forty years old when he took Rebecca, the daughter of his uncle Bethuel, for a wife.

 

অনুবাদঃ-এবং যুবতীটি খুব সুন্দর চেহারার ছিল, সে একজন কুমারী ছিল এবং রেবেকার তখন দশ বছর বয়স ছিল।

 

44 আর ইসহাক রেবেকাকে বিয়ে করলেন এবং তিনি তাঁর স্ত্রী হলেন এবং তিনি তাকে তাঁবুতে নিয়ে গেলেন।

 

45 আর ইসহাক চল্লিশ বছর বয়সে তাঁর চাচা বথুয়েলের মেয়ে রেবেকাকে বিয়ে করলেন।

 

(Book of Jasher, Ch.24,verse-40,44-45 

Link-https://www.sacred-texts.com/chr/apo/jasher/24.htm)

 

★হাদিসে বলাঃ-

আয়িশাহ্‌ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

আছে যে, তার সাত বছর[৫১] বয়সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন। তাকে নয় বছর বয়সে তাঁর ঘরে বধুবেশে নেয়া হয় এবং তাঁর সঙ্গে তাঁর খেলার পুতুলগুলোও ছিল। তাঁর আঠার বছর বয়সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইন্তিকাল করেন। (ই.ফা. ৩৩৪৬, ই.সে. ৩৩৪৫)

 

ফুটনোটঃ

[৫১] তিনি বলেন যে, তাঁর ছয় বছর বয়সে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিবাহ করেন। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোন হাদীসে ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ)-এর বিবাহ হওয়ার ছয় বছর আবার কোন হাদীসে সাত বছর বর্ণিত হয়েছে। হাদীসের ব্যাখ্যাকারদের মতে, ঐ সময় ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ)-এর বয়স ছয় পার হয়ে সাত বছর চলছিল। ফলে কোন হাদীসে ছয় বছরের উপর অতিরিক্ত সময় বাদ দিয়ে ছয় বছর গণনা করা হয়েছে, আবার কোন হাদীসে অতিরিক্ত সময়কে পূর্ণ বছর ধরে সাত বছর গণনা করা হয়েছে। 

 

সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৩৩৭২

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

★বেদে বলাঃ-

 

Only by Brahmacharya does the virgin maiden find a youth as husband. Even the bull and the horse can eat and digest grass by natural Brahmacharya.

 

শুধুমাত্র ব্রহ্মচর্য দ্বারা কুমারী কন্যা স্বামী হিসাবে যুবক খুঁজে পায়।  এমনকি ষাঁড় এবং ঘোড়াও ব্রহ্মচর্যের মাধ্যমে ঘাস খেতে এবং হজম করতে পারে।

(তুলসী রাম অনুবাদ,অথর্ববেদ সংহিতা, ১১শ কাণ্ড ৩ অনুবাক, সুক্ত ২, ভার্স ৭)

 

দেখুন উপরে অথর্ববেদে লিখা ব্রহ্মচর্যের মাধ্যমে অবিবাহিত মেয়ে স্বামী খুঁজে পায়। ঠিক আছে, কিন্তু দুঃখজনকভাবে হিন্দুধর্মে অবিবাহিত মেয়ের ব্রহ্মচর্য ১০/১২ বছর পর্যন্তই লিমিট।

 

दशवार्षिकं ब्रह्मचर्यं कुमारीणां द्वादशवार्षिकं वा

 

দশবর্ষিকম ব্রহ্মচর্য কুমারীনাম্ দ্বাদশবর্ষিকম ভা

 

কুমারীদের ব্রহ্মচর্য ১০ বা ১২ বছর পর্যন্ত।

(কথকগৃহ্যসূত্রম, (লৌগিক গৃহ্যসূত্র ১৯.২) https://sa.wikisource.org/wiki/%E0%A4%95%E0%A4%BE%E0%A4%A0%E0%A4%95%E0%A4%97%E0%A5%83%E0%A4%B9%E0%A5%8D%E0%A4%AF%E0%A4%B8%E0%A5%82%E0%A4%A4%E0%A5%8D%E0%A4%B0%E0%A4%AE%E0%A5%8D)

 

(১৯)এব্রাহামিক ধর্মগুলো থেকে দাঁড়ি বিধান চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-“ ‘তোমার মাথার কিনারার চুল অথবা তোমার দাড়ির প্রান্তভাগ ছাঁটবে না।

লেবীয় পুস্তক 19:27 BCV

https://bible.com/bible/2412/lev.19.27.BCV

 

★কোরানে বলাঃ-

নবী হারুন তাঁর ভাই নবর মূসাকে বললেন- হে আমার সহোদর ভাই, আমার দাড়ি  ও মাথার চুল ধরে টানিও না; আমি আশঙ্কা করলাম যে, তুমি বলবেঃ তুমি বনী-ইসরাঈলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছ এবং আমার কথা স্মরণে রাখনি।

(সূরাঃ ত্বোয়া-হা, আয়াতঃ ৯৪)

 

★হাদিসে বলাঃ-

আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ঐ ব্যক্তি আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়, যে মাথার চুল বা দাড়ি উপড়ে ফেলে সজোরে চিৎকার করে এবং আঁচল ছিঁড়ে ফেলে।

  

 

সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ১৮৬৬

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

★বেদে দাঁড়ি বিধানঃ-

 

शिरो मे श्रीर्यशो मुखं त्विषिः केशाश्च श्मश्रूणि । राजा मे प्राणो अमृतँ सम्राट्चक्षुर्विराट्श्रोत्रम् ॥५॥

 

(শিরো মে শ্রীর্যশৈা মুখং ত্বিষিঃ কেশাশ্চ শ্মশ্রুণি।রাজা মে প্রাণো অমৃতং সম্রাট চক্ষুর্বিরাট শ্রোত্রম)

 

অনুবাদঃ-আমার মস্তকে শোভা,মুখে যশ,কেশ ও দাড়িতে দীপ্তি, দীপ্যমান আমার  মুখ বায়ু অমৃত হোক।চক্ষু ইন্দ্রিয় সম্যকরূপে ও শ্রোত্র ইন্দ্রিয় বিবিধরূপে শোভা পাক।

 

(শুক্ল যর্জুবেদ ২০/৬,অনুবাদকঃ-শ্রী বিজনবিহারী গোস্বামী)

 

(২০)এব্রাহামিক ধর্মে জাদুবিদ্যা চর্চা নিষিদ্ধ তত্ব চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

“ ‘রক্ত সমেত কোনো মাংস ভোজন করবে না। “ ‘ভবিষ্যৎ-কথন অথবা জাদুবিদ্যা অনুশীলন করবে না।

লেবীয় পুস্তক 19:26 BCV

https://bible.com/bible/2412/lev.19.26.BCV

 

★কোরানে বলাঃ-

 তারা ভালরূপে জানে যে, যে কেউ জাদু অবলম্বন করে, তার জন্য পরকালে কোন অংশ নেই। যার বিনিময়ে তারা আত্নবিক্রয় করেছে, তা খুবই মন্দ যদি তারা জানত।

(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১০২)

 

★বেদে বলাঃ-

যে মূর্খ অভিচার(জাদু/তন্ত্র বিদ্যা চর্চা) করে,সে কাজের দ্বারা সে মূর্খ বিনষ্ট হয়

 

(কৃষ্ণ যর্জুবেদ ৫/৬/৩,অনুবাদকঃ-শ্রী বিজনবিহারী গোস্বামী)

 

(২১)এব্রাহামিক ধর্মে ভাগ্য গননা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তত্ব চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

“রক্ত লেগে থাকা অবস্থায় কোন মাংস তোমরা অবশ্যই খাবে না। “তোমরা অবশ্যই যাদুবিদ্যা এবং গণক বিদ্যার ব্যবহার করতে চেষ্টা করবে না।

লেবীয় পুস্তক 19:26 BERV

https://bible.com/bible/3150/lev.19.26.BERV

 

★কোরানে বলাঃ-

হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাক-যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও।

(সূরাঃ আল মায়িদাহ, আয়াতঃ ৯০)

 

★বেদ সিদ্ধ মনুসংহিতা বলাঃ-

মনুর প্রনীত বিধানে অগ্নি জন্মেছিলেন

(ঋগ্বেদ ১/১২৮/১,গ্রিফিথ ভাষ্য,লিংকঃ-https://www.sacred-texts.com/hin/rigveda/rv01128.htm)

 

★মনুসংহিতায় বলাঃ-

নানা প্রকার প্রবঞ্চক(প্রতারনা) যেমনঃ-ঘুষদানকারী,ভয়প্রদর্শনকারী,ধনগ্রহনকারী প্রতারক,জুয়া খেলায় ধূর্ত প্রতারক,ভবিষ্যতে মঙ্গল বা অমঙ্গল নির্ধারণকারী,ভদ্রবেশধারী পাপী,যারা হস্তরেখায় ভাগ্য গননাকারী।

(মনুসংহিতা ৯/২৫৮)

 

রাজা ঐসব প্রবঞ্চকদের সন্ধিচ্ছেদ প্রভৃতি করবেন নিজ নিজ দোষ অনুসারে সাধারনদের কাছে ঘোষনা করে এবং অপরাধ বিবেচনাপূর্বক সেই অনুসারে বিচার করবেন

(মনুসংহিতা ৯/২৬২)

 

(২২)এব্রাহামিক ধর্মে 

জুয়া নিষিদ্ধ তত্ব চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★কোরানে বলাঃ-

শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখনও কি বিরত হবেনা?

(সূরাঃ আল মায়িদাহ, আয়াতঃ ৯১)

 

★বেদে বলাঃ-জুয়াড়ি সন্ধান করে জুয়াঘর এবং তা বিস্ময়কর।তার পুরো দেহ আগুনে জ্বলুক।আমি কি তার সৌভাগ্যবান হবো?এখনো তার পাশা খেলা ইচ্ছাকে প্রসারিত করে, এবং বাজি ধরে প্রতিদ্বন্দীর বিরুদ্ধে 

(ঋগ্বেদ ১০/৩৪/৬,গ্রিফিথ ভাষ্য)

 

(২৩)এব্রাহামিক ধর্মে মদ্যপান নিষিদ্ধ তত্ব চুরি করে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

ধিক্‌ তাহাদিগকে, যাহারা খুব সকালে উঠে, যেন সুরার (মদ) অনুধাবন করিতে পারে; যাহারা অনেক রাত্রি বসিয়া থাকে, যাবৎ না দ্রাক্ষারস তাহাদিগকে উত্তপ্ত করে!

 

যিশাইয় ভাববাদীর পুস্তক। 5:11 BENGALI-BSI

https://bible.com/bible/1681/isa.5.11.BENGALI-BSI

 

বা চোর বা লোভী বা মদ্যপ বা কুৎসা-রটনাকারী বা পরধনগ্রাহী, তারা কেউই ঈশ্বরের রাজ্যে অধিকার লাভ করবে না।

1 করিন্থীয় 6:10 BCV

https://bible.com/bible/2412/1co.6.10.BCV

 

★কোরানে বলাঃ-

শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদের পরস্পরের মাঝে শুত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখনও কি বিরত  হবে না?

(সূরাঃ আল মায়িদাহ, আয়াতঃ ৯১)

 

★বেদেই বলাঃ- 

মদ পান করার জন্য মদের নেশা পানকারী হৃদয়ে স্থান লাভ করার জন্য লড়াই শুরু করে দেয়।

(ঋগ্বেদ ১০/৩৪/১৩,গ্রিফ্রিথ ভাষ্য)

 

(২৪)খৃস্টানধর্ম থেকে পূণজন্ম তত্ত্ব চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

বাইবেলে পূনজন্ম:-

 

মানুষ মারা গেলে পৃথিবীতে  নতুনভাবে আবারো জন্মগ্রহণ করাকে পূনজন্ম বলে।

 

বাইবেলে বলা:-

 

★পৃথিবীতে যখন আমার জীবন শেষ হবে, আমি অপেক্ষা করব এই মনে রেখে যে আমি আবার ফিরে আসব।”—ইয়োব ১৪:১৪ পদের “গ্রিক অনুবাদ” প্রেতচর্চার আলোকে সুসমাচারের বইগুলো বইয়ে পাওয়া যায়।

 

★“নূতন জন্ম না হইলে কেহ ঈশ্বরের রাজ্য দেখিতে পায় না। আমি যে তোমাকে বলিলাম, তোমাদের নূতন জন্ম হওয়া আবশ্যক, ইহাতে আশ্চর্য্য জ্ঞান করিও না।”—যোহন ৩:৩, ৭.

 

ধন্য আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টের ঈশ্বর ও পিতা; তিনি নিজ বিপুল দয়া অনুসারে মৃতগণের মধ্য হইতে যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থান দ্বারা, জীবন্ত প্রত্যাশার নিমিত্ত আমাদিগকে পুনর্জন্ম দিয়াছেন,

১ পিতর 1:3 ROVU

https://bible.com/bible/1791/1pe.1.3.ROVU

 

★বেদে পূর্ণজন্মঃ-

দেবগণ পূর্বজন্মে মানুষরূপে গো হত্যাদি উপপাতকের ও ব্রহ্মহত্যাদি মহাপাতকের প্রায়শ্চিত্তরূপে এ অশ্বমেধ যজ্ঞ অনুষ্ঠান করে পাপমুক্ত হন।

(কৃষ্ণ যর্জুবেদ ৫/৩/১২,অনুবাদকঃ-শ্রী বিজনবিহারী গোস্বামী)

 

(২৫)এব্রাহামিকধর্মে উপবাস বিধান চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

তখন ইস্রায়েলীয়দের সমস্ত লোক বৈথেলে গিয়ে সদাপ্রভুর সামনে বসে কাঁদতে লাগল। তারা সেই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত উপবাস করল এবং সদাপ্রভুর উদ্দেশে পোড়ানো ও যোগাযোগ-উৎসর্গের অনুষ্ঠান করল।

বিচারকর্তৃগণ 20:26 SBCL

https://bible.com/bible/155/jdg.20.26.SBCL

 

যিশু বলেন-

“তোমরা যখন উপবাস কর তখন ভণ্ডদের মত মুখ কালো করে রেখো না। তারা যে উপবাস করছে তা লোকদের দেখাবার জন্য তারা মাথায় ও মুখে ছাই মেখে বেড়ায়। আমি তোমাদের সত্যিই বলছি, তারা তাদের পুরস্কার পেয়ে গেছে। কিন্তু তুমি যখন উপবাস কর তখন মাথায় তেল দিয়ো ও মুখ ধুয়ো, যেন অন্যেরা জানতে না পারে যে, তুমি উপবাস করছ। তাহলে তোমার পিতা, যিনি দেখা না গেলেও উপস্থিত আছেন, কেবল তিনিই তা দেখতে পাবেন। তোমার পিতা, যিনি গোপন সব কিছু দেখেন, তিনিই তোমাকে পুরস্কার দেবেন।

মথি 6:16‭-‬18 SBCL

https://bible.com/bible/155/mat.6.16-18.SBCL

 

★কোরান বলে-

হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।

(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৮৩)

 

★বেদে বলাঃ-

যজ্ঞাদি কর্মে ভোজন বিষয়ে বলা হচ্ছে-গ্রাম্য ধান্যের অন্ন ভোজন করবে কিংবা অরন্যের ধান্যের অথবা উপবাস করবে।

(কৃষ্ণ যর্জুবেদ ১/৬/৭,অনুবাদক- শ্রী বিজনবিহারী গোস্বামী)

 

(২৬)এব্রাহামিক ধর্মে হজে সাতবার প্রদক্ষিণ তত্ব চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

তাওয়াফ অর্থ প্রদক্ষিণ করা।

 

★ইহুদিধর্ম প্রেক্ষাপটে তাওয়াফ

Strong’s Bible Dictionaryতেও স্বীকার করা হয়েছে যে, পারান হচ্ছে আরবের একটি মরুভূমি।

সামেরি(শমরীয়/Samaritan) ধর্মাবলম্বীদের The Asatir – The Samaritan Book of The “Secret of Moses” পুস্তকে উল্লেখ করা হয়েছে যে,

 

“And after the death of Abraham, Ishmael reigned twenty seven years. And all the children of Nebaot(son of Ishmael) ruled for one year in the lifetime of Ishmael,And for thirty years after his death from the river of Egypt to the river Euphrates; and they built Mecca.” 

অর্থাৎ ইসমাঈল(আ.) এর বংশধরেরা মক্কা নগরী নির্মাণ করেছে। 

 

Marshall G. S. Hodgson এর The Venture  of Islam: Conscience and History in a World Civilization গ্রন্থে মুহাম্মাদ(ﷺ) এর পূর্বের জাহিলী যুগে মক্কার বিবরণ দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছেঃ

 

It seems that even Christian Arabs made pilgrimage to the Ka'bah, at that time, honouring Allah there as God the Creator.

অর্থাৎ - এমনকি আরব খ্রিষ্টানরাও সে যুগে আল্লাহকে স্রষ্টা হিসাবে ভক্তি করে কা’বায় হজ করতো।

 

★কোরানে তাওয়াফঃ-

এরপর তারা যেন দৈহিক ময়লা দূর করে দেয়, তাদের মানত পূর্ণ করে এবং এই সুসংরক্ষিত গৃহের তাওয়াফ করে।

(সূরাঃ হাজ্জ্ব, আয়াতঃ ২৯)

 

মুসলিমরা হজে কাবা সাতবার প্রদক্ষিণ করে।

 

★হিন্দুরা  সাতবার প্রদক্ষিণ নিয়ম চুরি বিবাহের নিয়মে ঢুকিয়েছে।আগুনকে সাক্ষী রেখে সাতবার প্রদক্ষিণ করে আগুনের চারপাশে এবং পুরোহিত মন্ত্র পাঠ করে এবং তারা আরো বিশ্বাস করে সাত বার পূনজন্মের এই সম্পর্ক অটুট থাকে সাতবার প্রদক্ষিণের কারণে।

 

(২৭)এব্রাহামিক ধর্মের ব্যভিচারের শাস্তি মৃত্যুদন্ড বিধান চুরি হিন্দুধর্মেঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

“যদি কেউ তার প্রতিবেশীর স্ত্রীর সংগে, অর্থাৎ অন্য কোন লোকের স্ত্রীর সংগে ব্যভিচার করে তবে ব্যভিচারী এবং ব্যভিচারিণী দু’জনকেই মেরে ফেলতে হবে।

লেবীয় পুস্তক 20:10 SBCL

https://bible.com/bible/155/lev.20.10.SBCL

 

★হাদিসে বলাঃ-

আবূ যিবৃয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

তিনি বলেন, হান্নাদ আল-জানাবী বলেছেন: একদা এক জেনাকারিনীকে ‘উমার (রাঃ)–র নিকট হাযির করা হলে তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যার আদেশ দেন। এ সময় ‘আলি (রাঃ) ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ছেড়ে দিলেন। ’উমার (রাঃ) এ সংবাদ পেয়ে ‘আলি (রাঃ) কে ডেকে পাঠালেন। ‘আলি (রাঃ) তার নিকট এসে বলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে: রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তিন প্রকার লোকদের উপর হতে কলম তুলে রাখা হয়েছে: (১) নাবালেগ, যতক্ষন না বালেগ হয় (২) নিদ্রিত ব্যাক্তি, যতক্ষন না জাগ্রত হয়, এবং (৩) পাগল, যতক্ষন না সুস্হ হয়। আর এ তো অমুক গোত্রের পাগলিনী। সে যা করেছে, সম্ভবত উম্মাদ অবস্হায় তা করেছে। বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। অতঃপর ‘আলি (রাঃ) বলেন, আমিও জানতাম না।

 

সহীহ: এ কথাটি বাদে: সম্ভবত উম্মাদ অবস্হায় …।

  

 

সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৪০২

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

★হিন্দুশাস্ত্রে বলাঃ-

যে পুরুষ তার স্ত্রীকে বাদ দিয়ে পরস্ত্রী  ধর্ষণ বা বেশ্যাগমন করে সেই পাপিকে উত্তপ্ত লোহার পাংকে শায়িত করে জনতার সামনে ভস্মীভূত  করে দাও (মনুসংহিতা ৮/৩৭২)

 

(২৮)এব্রাহামিক ধর্মে নাস্তিকদের শাস্তি বিধান চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

 

প্রভু পরমেশ্বরের নামে যে নিন্দা করবে তার অবশ্যই প্রাণদণ্ড হবে। সমগ্র সমাজ তাকে পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলবে। বিজাতীয় হোক বা স্বজাতীয় হোক, সেই পবিত্র নামের অপবাদ যে করবে তার অবশ্যই প্রাণদণ্ড হবে।

 

লেবীয় পুস্তক 24:16 BENGALCL-BSI

https://bible.com/bible/1690/lev.24.16.BENGALCL-BSI

 

★কোরানে বলা-

যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি।

(সূরাঃ আল মায়িদাহ, আয়াতঃ ৩৩)

 

★বেদে বলাঃ-

হে অগ্নি!তোমার দেয়া বিধানের বিরোধিতা করে সেসব শত্রুদের পরিচালনা থেকে দূরে থাকুন।এসব অপরাজেয় শত্রুকে হত্যা করুন এবং উপসনাকারীকে মহিমান্বিত করুন।

(ঋগ্বেদ ৩/২৪/১)

 

(২৯)খৃস্টানধর্মে নরবলি তত্ব চুরি  করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

তেমনি অনেকের পাপ মোচনের জন্য খ্রীষ্টকে একবারই বলিদান করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার তিনি আবির্ভূত হবেন। এবার আর পাপস্খালন নয়, কিন্তু যারা তাঁর প্রতীক্ষায় রয়েছে তাদের পরিত্রাণের জন্য।

 

হিব্রু 9:28 BENGALCL-BSI

https://bible.com/bible/1690/heb.9.28.BENGALCL-BSI

 

★কালিকাপুরাণে বলাঃ-

সেই পাপশূন্য বলিরূপ মনুষ্য নরের মস্তক অমৃত তুল্য হয়,ইহা মহাদেবী কালী প্রীতি লাভ করেন

(কালিকা পুরাণ ৬৭/৯৩)

 

(৩০)এব্রাহামিক ধর্মে সর্বশেষ দূত হলেন নবী(স)।যাকে হিন্দুধর্মে যাকে ঋষিতে রূপান্তরঃ-

 

★বাইবেলঃ-

Modern Hebrew-isaiah 42:1

הן(হেন-তুলে ধরি)

 

עבדי(আব্দি- আমার বান্দা)

 

אתמך(আহমেদ)

 

־בו(বো-যাকে)

 

בחירי(বিহিরি-মনোনীত করেছি)

 

רצתה(রাশেতাহ-তার উপর সন্তুষ্ট) 

 

נפשי(নাফসি-আমার আত্না)

 

נתתי(নাতাতি-আমি রেখেছি)

רוחי(রুহি-আমার আত্না)

 

עליו(এলোহ-দিয়েছি তাকে)

 

משפט(মিসপাত-সে বিচার করবে)

 

לגוים(লাগোউইম-অইহুদি­দেরকে)

לגוים(ইয়োসি-তিনি ফিরিয়ে) 

আনবেন)

 

এখানে শুরুতে বলা আহমদ অইহুদিদের বিচার করে আনবেন।এখানে ঈশ্বরের আত্না হলো স্বর্গদূত জিবরাইল (আঃ)।আহমদ হলো কোরানে বর্ণিত নবী(স) এর আরেক নাম(৬১/৬)।আমরা জানি আরবে পৌত্তোলিকদের তিনি বিচার করেছেন,তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন,তাদের অনেককে ইসলামে ফিরিয়ে আনছেন, তারা ছিলো অইহুদি।

 

★কোরানে বলাঃ- হে নবী(স)!

আমি আপনাকে সমগ্র মানবজাতির জন্যে সুসংবাদাতা ও সতর্ককারী রূপে পাঠিয়েছি; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না।

(সূরাঃ সাবা, আয়াতঃ ২৮)

 

★একই কথা আমরা ভবিষ্যপুরাণে পাই-

 

এতস্মিন্নন্তরে স্লেচ্ছ্য আচার্য্যেণ সমন্বিত

মহামদ ইতি খ্যাত শিষ্য শাখা সমন্বিত ||৫||

সরলার্থঃ-মহামদ/মুহাম্মাদ নামে একজন স্লেচ্ছ্য/বিদেশী ঋষি আসবেন।ইতিমধ্যে  খ্যাত, শিষ্য শাখা/শিষ্যদের বড় অংশ নিয়ে সমন্বিত।

 

নৃপশ্চৈব মহাদৈনং মরুস্থল নিবাসিনম্

 সরলার্থঃ রাজা হিসেবে মহা দৈন(দৈন্য)/দুঃখী/অভাবী,তার নিবাস্থল হলো মরুভূমি।

 

★সংষ্কৃত  দৈন শব্দ অর্থ দৈনিক।সংষ্কৃত  দৈন শব্দটি  (ং) দিয়ে উচ্চারণ করায় দৈন্য অনুবাদ করা যায়।যার অর্থ-দুঃখ,অভাব।

 

গঙ্গাজালৈশ্চ সংস্নাপ্য পঞ্চগব্য সমন্বিত 

 সরলার্থঃ-তিনি গঙ্গা স্নান ছাড়া পঞ্চ গব্য সমন্বিত।

 

চন্দনা দিভির ভ্যচৈচ্য তুষ্টা মনসা হরম ||৬||

 সরলার্থঃ তিনি চন্দনের মতোই সুন্দর,তুষ্ট মনের অধিকারী

(ভবিষ্যপুরাণ, খন্ড-২,প্রতিসর্গ পর্ব

(৩য় অধ্যায়),শালি বশীয় নৃপতি বর্ণন(বর্ণনা),শ্লোক-৫-৬)

 

এরপর অংশে বলাঃ-

নমস্তে গিরিজানাথ মরুস্থল নিবাসিনে

ত্রিপুরাসুর নাশোয়া বহুমায়াপ্রবর্তিনে ||৭||

সরলার্থঃ- হে গিরিজানাথ মরুস্থল নিবাসী আপনাকে নমষ্কার জানাই।,ত্রিপুরাসুর নাশকারী(নাশোয়া) আপনি বহু মায়া দ্বারা প্রবর্তিত।

 

এরপর আমরা ১২নং শ্লোকে যাই- 

অযোনি স বরো মত্ত প্রাপ্ত বান্দৈত্য বর্দ্ধণ

মহামদ ইতি খ্যাতঃ পৈশাচ্যকৃত্যিৎপর

সরলার্থঃ- তিনি অবৈধ যৌনি প্রাপ্তি বরে মত্ত(আসক্ত) নন,এর বদ্ধন থেকে মুক্ত(বান্দৈত্য)।মহামদ ইতিমধ্যে খ্যাত,পৈশাচিক কার্যকলাপ বিরোধী তৎপর।

 

এরপর আরো বলাঃ-

রাত্রৌ স দেবরূপ বহুমায়াবিশাপদঃ

পৈশাচং দেহবস্থায় ভোজরাজং হি সোৎব্রবীৎ||২৩||

সরলার্থঃ-রাতে তিনি(মহামদ) দেবরূপ বহুমায়া  প্রাপ্ত(ঐশ্বরিক শক্তি/অলৌকিক অধিকারী) হন।ভোজরাজা পৈশাচিক দেহ অবস্থায় তাকে বললেন-

 

আর্যধর্মো হি তে রাজন সর্বধর্মোত্তমঃসৃত

ঈশাজ্ঞয়া করিষ্যামি পৈশাচং ধর্মদারুণাম ||২৪||

সরলার্থঃ- 

হে রাজন! তোমার আর্যধর্ম সর্বধর্ম অপেক্ষা উত্তম।

আমি ঈশ্বরের আজ্ঞায় পৈশাচিকধর্ম দারুণভাবে পালন করব।

 

লিঙ্গচ্ছেদী শিখাহীনঃ শুশ্রাধারী স দূষক

উচ্চালাপী  সর্বভক্ষী ভবিষ্যতি জানা মম||২৫||

সরলার্থঃ-দূষকেরা(পাপীরা) তোমাকে গ্রহন করে লিঙ্গচ্ছেদধারী,শিখাহীন এবং দাড়ি রাখবে।

উচ্চস্বরে ডাক দিবে,সবকিছুই ভক্ষণকারী তাদেরকে ভবিষ্যতে এরকমই জানা যাবে। 

 

বিনা কৌলং চ পশবস্তেষাং ভক্ষ্যা মত্তা মমঃ

মূসলনৈব সংষ্কৃত কুশৈরিরং ভবিষ্যতি||২৬|| 

সরলার্থঃ- কৌল(নির্ধারিত কিছু) ছাড়া সমস্ত পশুকে ভক্ষণে মত্ত থাকবে।ভবিষ্যতে মুসলমান নামক বিশুদ্ধ (সংষ্কৃত অর্থ-বিশুদ্ধ) জাতি উদ্ভব ঘটবে।

 

ত স্মান্নুসল তা বন্ডো হি জাতেয়া দূষকা

ইতি পৈশাচধর্ম্ম তি ভবিষ্যতি মায়াকৃত||২৭||

সরলার্থঃ-তন্ধধ্যে কিছু ভন্ড(বন্ডো) মুসলিম জাতে দূষিত হবে,ইতিমধ্যে পৈশাচিকধর্ম মায়াতে ভবিষ্যতে প্রলুদ্ধ হবে।

 

ইত্যুক্তা প্রমমৌ দেবঃ স রাজ গেহমায়ায়ৌ

ত্রিবর্ণ স্থাপিতা বাণী সংষ্কৃতি স্বর্গদায়িনা ||২৮|| 

 সরলার্থঃ-প্রথমে এসব  উক্তি করলেন দেবতা মতোই চলে গেলেন রাজা।মহামদ তিনবর্ণে স্থাপন করলেন বিশুদ্ধ (সংষ্কৃত অর্থ-বিশুদ্ধ) বাণী যা স্বর্গ থেকে দেয়া।

 

শুদ্রেষ্যু প্রাকৃতি ভাষা স্থাপিতাতেন ধীমাতা 

পঞ্চাশ দব্দ কালম তু রাজ্যং কৃত্ব দিবঃগত ||২৯||

সরলার্থঃ-তিনি দলিত লোকদের কথ্য ভাষাতে তা স্থাপন(প্রয়োগ)  করলেন  ধীরগতিতে মায়ের মত করে।

পঞ্চাশ শব্দের পঙ্গপাল তার রাজত্বের বেদনা দিবার মতো গত হবে।

 

স্থাপিতা  তেন  মর্যাদা সর্বদেবোপমানিনী 

আর্যাবর্তঃ পূণ্যভূমি মধ্যাং বিন্ধ হিমালয়োঃ ||৩০||

সরলার্থঃ- স্থাপিত হবে মর্যাদা সাথে সর্বদিকে দৈব/ঐশ্বরিক মান্যকারী আর্যের পূন্যভূমির মধ্যে  বিন্ধ হিমালয়ে।

 

আর্যাবর্ণা স্থিতাস্তত্র বিন্ধ্যান্তে  বর্ণসংকরাঃ

নরা মুসলবন্তশ্চ স্থাপিত সিন্ধু পাবজাঃ||৩১||

সরলার্থঃ- আর্যবর্ণের বিন্ধ পর্বতে বর্ণসংকর দেখা দিলো।নতুন করে মুসলিম লোকেরা সিন্ধুতীরে স্থাপিত হলো।

 

বর্বরে তুষদেশে চ দ্বাপো নানা বিধে তথা

ঈশা মসীহ ধর্মাশ্চ সুবৈং রাজ্ঞৈব সংস্থিতা ||৩২||

সরলার্থঃ- তুষদেশে(বরফে দেশ) এর  বর্বরেরা নানা দ্বীপে তথায় ঈসা মসীহ ধর্ম তাদের রাজার (ইউরোপীয় শাসক) নির্দেশে সংস্থাপন করলো।

 

(ভবিষ্যপুরাণ, খন্ড-২,প্রতিসর্গ পর্ব

(৩য় অধ্যায়),শালি বশীয় নৃপতি বর্ণন(বর্ণনা),শ্লোক-১২-৩২)

 

যদি হিন্দুদের চাপা জোরে নবভারত পাবলির্শাস অনুবাদ সত্য ধরি তাহলে বৈপরীত্যে পাইঃ-

শ্লোক-৫

মহামদ হলো স্লেচছ্য ঋষি

শ্লোক-৭,১২

মহামদ হলো ত্রিপুরাসুর,দৈত্য

এতে প্রমানিত হিন্দুধর্ম বিকৃত

★এছাড়াও আল্লো উপনিষদে  বলাঃ-

 

হোতার মিন্দ্রো হোতার মিন্দ্রো মহাসূরিন্দ্রাঃ

অল্লো জ্যৈষ্ঠং শ্রেষ্ঠং পরমং ব্রহ্মণং অল্লাম

অল্লো রসূল মোহাম্মদ রকং বরস্য অল্লো অল্লাম

আদাল্লাং বুকমেকং অল্লাবুকংল্লান লির্খতকমঃ

 

ভাবার্থঃ আল্লাহ্ সকল গুণের অধিকারী, তিনি পূর্ণ ও সর্বজ্ঞ্যানী, মুহাম্মদ আল্লাহ্ র রসুল। আল্লাহ আলোকময়, অক্ষয়, এক, চীর পরিপূর্ণ এবং সয়ম্ভূ।

 

(আল্লো উপনিষদ, শ্লোক-৫,৬)

 

মন্তব্যঃ-

কপিবাজ হিন্দুরা অল্লোপনিষদ লিখেছে যাতে মুসলিমদেরকে হিন্দুধর্মে রুপান্তরিত করতে পারে। কিন্তু ইসলামের শক্তিশালী পৌত্তলিকতা বিরোধী মনোভাব, মূর্তিপূজাবিরোধী মনোভাব এবং শ্রেষ্ঠত্বের মনোভাব হিন্দুদের এই আকামকে বাঁধা দিয়েছে।

 

It is true that the absorbent power of Hinduism has met two checks-one from the Muslim and the other from the Euro- pean. The Hindus wrote Allopanishad and tried to incorporate the Muslims into their fold; but the strong anti-polytheistic and anti-idolatrous attitude of Islam and also the superiority complex of a conqueror’s mentality have prevented this fusion.

 

বাংলা অনুবাদঃ-

এটা সত্য যে হিন্দুধর্মের শোষণকারী শক্তি দুটি চেক পূরণ করেছে- একটি মুসলিম থেকে এবং অন্যটি ইউরোপীয়দের কাছ থেকে। হিন্দুরা আলোপনিষদ রচনা করে এবং মুসলমানদেরকে তাদের ভাঁজে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করেছিল; কিন্তু ইসলামের প্রবল বহু-ঈশ্বরবাদ-বিরোধী ও মূর্তিপূজা-বিরোধী মনোভাব এবং বিজয়ীর মানসিকতার শ্রেষ্ঠত্ব কাঠামো এই সংমিশ্রণকে বাধা দিয়েছে।

 

★তথ্যসূত্রঃ-

- Rise And Growth Of Indian Liberalism From Ram Mohan Roy  To Gokhle

by Buch Maganlal (1938) https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.53144/page/n21/mode/1up

 

এছাড়াও

 

India, as is the case with the Hlindus." The Ilindus wore willing and

ready to absorb the Muslims. They mado poaco with them. Theoy

recognisod Allah as an aspeot of the Godbead in the Alopanishad and

adored Him. They loved Akbar and otbor good and great

Mohammedan kings. But all the same, Islam romained a distinot

religion, unassimilatod and unasimilablo And to-day it is the religion of nearly one-ffth of India.

 

বাংলা অনুবাদঃ

 

ভারত, হিন্দুদের ক্ষেত্রেও তাই৷" ইলিন্ডাসরা স্বেচ্ছায় এবং

মুসলমানদের শোষণ করতে প্রস্তুত। তারা তাদের সাথে মাদো পোয়াকো। থিওয়

আলোপনিষদে আল্লাহকে গডবিডের একটি আস্পেট হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং

তাকে পূজা করত। তারা আকবর ও উটবরকে ভালো এবং মহান ভালোবাসতেন

মোহামেডান রাজারা। 

কিন্তু একইভাবে, ইসলাম একটি স্বতন্ত্র রোমেন ছিল

ধর্ম, অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং আজ এটি ভারতের প্রায় এক পঞ্চমাংশের ধর্ম।

 

★তথ্যসূত্রঃ

Vedanta Kesari (1929-30) Vol.16, পৃ ২২২

https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.40631/page/n226/mode/1up

 

এছাড়াও

জওহরলাল নেহেরু তার ভারতীয় সভ্যতা বিষয়ক গ্রন্থে বলেছেন ’ ভারতীয় সভ্যতার বৈশিষ্ট্য হলো অন্য সভ্যতাকে নিজের মধ্যে বিলীন করে নেওয়া।’

 

★বেদে মুহাম্মদ (স)ঃ-

 

ঋগ্বেদ বলা আছেঃ

 

नराशंसमिह प्रियमस्मिन्यज्ञ उप ह्वये । मधुजिह्वं हविष्कृतम्॥३॥

 

English:-

 

Dear Narasangsa, sweet of tongue, presenter of oblations, I Invoke to this our sacrifice.

 

> বাংলাঃ প্রিয় নারাশাংসা(नराशंसमिह), মিষ্টি বচন,নৈবেদ্য প্রদানকারী,আমি আহবান করছি আমাদের নৈবেদ্য। [১/১৩/৩, সামবেদ উত্তরাচিকা-১১/১/৩]

 

> টিকাঃ রামকৃষ্ণ মিশন সমর্থিত রামেশদত্ত অনুবাদে নারাশাংসা(नराशंसमिह)অনুবাদে বলা হয়েছে,যে নরের প্রশংসা করা হয়,, প্রশংসিত মানব/মানবপ্রশংসিত।যাকে আরবিতে অনুবাদ করলে দাড়ায় মোহাম্মাদ(مُحَمَّدٌ)।

 

উক্ত শ্লোকে বলা হয়েছে মিষ্টি বচন(ভাষী)।আমরা জানি নবী(স)মিষ্টি ভাষী।পরম শত্রুরাও তার কথায় তৃপ্ত পেত।

 

এছাড়াও ঋগ্বেদে আরো বলা হয়েছে -

 

यज्ञं पृच्छाम्यवमं स तद्दूतो वि वोचति । क्व ऋतं पूर्व्यं गतं कस्तद्बिभर्ति नूतनो वित्तं मे अस्य रोदसी॥४॥

 

English :- I ask the last of sacrifice. As envoy he shall tell it forth. Where is the ancient law divine? Who is its new diffuser now? Mark this my woe, ye Earth and Heaven.

 

বাংলাঃ আমি শেষ  নৈবেদ্য জিজ্ঞেস করি,দুত(envoy,prophet)

 

হিসেবে সে জোরে বলবে-কোথায় সেই ঐশ্বরিক প্রাচীন বিধান?কে ইহা নবায়ন করবে?ইহাই আমার দুঃখ,আপনি তো পৃথিবী ও স্বর্গ [ঋগ্বেদ ১/১০৫/৪]

 

অতএব এখানে বুঝা যাচ্ছে বেদ বিকৃত,বেদের মৌলিক শিক্ষা তথা একত্ববাদকে নবায়ন করতে হবে।নবায়নে দায়িত্ব দিয়ে ঋষিকে[নবী(স)] লক্ষ্য করে বলা হলো-

 

সামবেদে - 

 

कविमग्निमुप स्तुहि सत्यधर्माणमध्वरे । देवममीवचातनम्॥१२॥

 

English :-12. Praise Agni in the sacrifice, the Sage whose holy laws are true. The God who driveth grief away

 

বাংলাঃ-নৈবেদ্যে অগ্নি(ঈশ্বরের গুনবাচক নাম-অগ্নি)এর প্রশংসা করি,সেই ঋষি  যার পবিত্র বিধান সত্য। ঈশ্বর যিনি দুঃখ দুর করেন।[সামবেদ পুর্বাচিকা, অগ্নিপর্ব ৩/১২]

 

ঠিক একই কথা কোরানে বলা আছেঃ

 

نَزَّلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقًا لِمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَأَنْزَلَ التَّوْرَاةَ وَالْإِنْجِيلَ

 

বাংলা অনুবাদঃ তিনি (ঈশ্বর) আপনার প্রতি কিতাব(কোরান-"বিধান") নাযিল করেছেন সত্যের সাথে; যা সত্যায়ন করে পূর্ববর্তী কিতাবসমুহের। (সূরাঃ আল ইমরান, আয়াতঃ ৩)

 

অর্থববেদে বলা আছেঃ-

 

इदं जना उप श्रुत नराशंस स्तविष्यते । षष्टिं सहस्रा नवतिं च कौरम आ रुशमेषु दद्महे ॥१॥

 

English :-1. Listen to this, ye men, a laud of glorious bounty shall be sung. Thousands sixty, and ninety we, O Kaurama, among the Rusamas have received.

 

বাংলা : শ্রবন করো ইহা,হে মানবেরা!মহিমান্বিত অনুগ্রহের প্রশংসা গেয়ে থাকবে।এক হাজার ষাট ও নব্বই জনে আমরা,হে কাওরামা(শান্তির রাজপুত্র) রুশমাসে মধ্যে আপনাকে পেয়েছি

 

उष्ट्रा यस्य प्रवाहणो वधूमन्तो द्विर्दश । वर्ष्मा रथस्य नि जिहीडते दिव ईषमाणा उपस्पृशः ॥२॥

 

English :-2. Camels  that draw the car, with twice-ten females by their side, he gave. Fain would the chariot's top bow down escaping from the stroke of heaven

 

বাংলাঃ 2. উটদের প্রবাহিত তার বাহন, ১২জন স্ত্রী সহিত তিনি দেন,সানন্দে রথের শীর্ষ নত হয়,উন্মুক্ত হয় স্বর্গের পথ

 

एष इषाय मामहे शतं निष्कान् दश स्रजः । त्रीणि शतान्यर्वतां सहस्रा दश गोनाम् ॥३॥

 

English:-3. A hundred chains of gold, ten wreaths, upon thee Rishi he bestowed, And thrice-a-hundred mettled steeds, ten-times-a-thousand cows he gave.

 

বাংলাঃ-সোনার একশত স্বর্নশিকল,দশটি গহনা,ঋষি তোমার প্রতি,তিনি অর্পিত করবেন এবং তিনশত তেজস্বী ঘোড়া ও দশহাজার গরু তিনি দিবেন 

 

[অর্থববেদ ২০/১২৭/২-৩]

 

টিকা ২নং মন্ত্রে সেই ঋষিকে দেয়া হবে উটসমুহ।মনুসংহিতা ১১/২০১মতে একজন ঋষি উটে পিঠে চড়তে পারবে না।

 

সুতরাং এই ঋষি সাধারন কোনো ঋষি নয়,ইনি ঋষিদের রাজা, শেষ ঋষি মোহাম্মদ (স),উট কেবল আরবেই পাওয়া যায়, বৈদিক কালে আর্যভুমিতে উট পরিচর্যা নেই,এমনকি আর্যভুমি ভারত রাজস্থানে মরুভুমিতেও উট ছিলনা।যদি থাকত তাহলে ঋষি রাজর্ষি হতেন।এরপর বলা হয়েছে  তাকে ১২জন স্ত্রী দেয়া হবে  আমরা জানি নবী(স)এর ১২জন স্ত্রী ছিলো। এরপর বলা হয়েছে স্বর্গের রথ তথা বুরাকের শীর্ষদেশ তার কাছে নত হবে,তারপর স্বর্গের রাস্তা উন্মুক্ত হবে অর্থাৎ মেরাজ গমন/স্বর্গদর্শন।

 

এখানে ৩নং মন্ত্রের পরের অংশে বলা হয়েছে, তাকে প্রদান করা হবে, ১০০ স্বর্নশিকল ১০ টী গলার হার, ৩০০ ঘোড়া, ১০ হাজার গরু। পন্ডিত বেদ প্রকাশ উপোধ্যায় এর মতে এখানে স্বর্নমুদ্রা, হার, অশ্ব ও গাভী- এইগুলি পার্থিব অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে না । কারণ এই সকল পার্থিব বস্তু লাভের দ্বারা কোন ঋষির মাহাত্ন প্রকাশ পায় না, বরং তাহার পার্থিব-কলুষতাই প্রকাশ করে প্রকৃতপক্ষে এইগুলি অলংকারিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যে বিষয়ে প্রায় সকল স্কলাররাই একমত। তুলসীরাম এই মন্ত্রগুলোকে Mystical বলে আখ্যায়িত করেছে। আচার্য্য শ্রী রাম শর্মা এই সুক্তের কমেন্টারিতে লিখেছেন, এই কুন্তাপ সুক্তটি ও এর সম্বন্ধিত শব্দগুলোর অর্থ আক্ষরিক নয় বরং সাংকেতিক। যা বেদ প্রকাশ উপোধ্যায় তার বইয়েও উল্লেখ করেছেন, ১০০ স্বর্নমুদ্রা নির্দেশ করে অবিসিনিয়ায় হিজরতরত নবিজীর ১০০ সাহাবীকে, যাদের বলা হত ‘আসহাবে সুফফা’ । কারন এই একশ সাহাবী ছিল সেইসময় নবিজির নিকট স্বর্নমুদ্রার মত মূল্যবান। ১০ টি গলার হার, গলার হার বলা হয় রুপকভাবে অতিপ্রিয় কোন জিনিস বা ব্যাক্তিকে। নবিজির এরকম গলার হারস্বরুপ প্রিয় দশজন সাহাবী ছিল, যাদের বলা হত ‘আশরা ই মুব্বাশ্বরাহ’ বা জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত। ৩০০ ঘোড়া, যেটি নির্দেশ করে বদর যুদ্ধের ৩০০ মুসলিম বিজেতার। কাফেরদের হাজার সৈন্যের বিপক্ষে মুসলিমরা ছিল মাত্র ৩১৩ জন।এরপরো মুসলিমরা জয়ী হয় ও যুদ্ধে ১৩ জন মুসলিম শহীদ হয় ও বাকি ৩০০ জন ফিরে আসেন। এইজন্য উক্ত তিনশত জনকে ধর্মের ক্ষেত্রে ‘অশ্ব’ উপাধি দান করা হয় । যাহারা ইতিহাসে ‘বদর সাহাবা’ নামি খ্যাত আছেন। ১০ হাজার গরু, নির্দেশ করে অষ্টম হিজরিতে মক্কাবিমুখে রওনা দেয়া নবিজির ১০ হাজার সাহাবীকে ।মক্কাবাসীগণকে সামান্য প্রতিরোধ করার পর নিঃশর্ত আত্নসমর্পন করে। হযরত মোহাম্মদ সা: তাহাদের প্রতি নিঃশর্ত ক্ষমা প্রদর্শন করলে তাহার দশহাজার শিষ্য-সৈন্যগণও সকলের প্রতি উদার ব্যবহার করেন। এইজন্য তাহাদিগকে গাভীর ন্যায় কল্যাণের প্রতীকরূপে চিহ্নিত করা হইয়াছে।

 

আর সাহাবীদের নিরীহ বৈশিষ্ট্যের সাথে গরুর তুলনা এমনকি হাদিসেও রয়েছে, Sahih Al-Bukhari, Vol. 9, number 159 and an additional deatil in Sahih Muslim: Sharh an-Nawawee, Vol. 8.“Abu Musa related that the Prophet (pbuh) said, “I saw in a dream that I was migrating from Makkah to a land where there were date palm trees. I thought that it might be the al-Yamamah or Hajar, but it turned out to be Yathrib (Medina). And I saw cows (being slaughtered, as quoted in Sahih Muslim) there – and what is with Allah is better. Eventually, the cows proved to symbolize the believers (who were killed) on the day (of the battle) of Uhud,  

 

৫ নাম্বার মন্ত্রটি গ্রিফিন্থ এভাবে অনুবাদ করেছে,

 

प्र रेभासो मनीषा वृषा गाव इवेरते । अमोतपुत्रका एषाममोत गा इवासते ॥५॥

 

English:- 5. Quickly and willingly like kine forth come the singers and their hymns: Their little maidens are at home, at home they wait upon the cows. 

 

> নিচে উল্লিখিত মন্ত্রের আচার্য্য শ্রী রাম শর্মার অনুবাদ বাংলা করলে দাড়ায়ঃ- 

 

শিকারী-দেখিয়া যেমন শিকারগণ বলশালী বৃষবৎ করিয়া পলায়ন ।। গৃহেতে থাকে তাহাদের কেবল বৎসগণ অপেক্ষা করিয়া থাকে গাভীদের জন্য ।। 

 

সুতরাং এর আগের মন্ত্রে গরু যে আক্ষরিক নয় তা এই মন্ত্রেই প্রমানিত হয়। গাভীদের জন্য তাদের বৎসগণ অধীর আগ্রহে বাড়িতে অপেক্ষা করছে, এটা খুব স্পষ্টভাবে কুরাইশদের অত্যাচারে হিজরতকারী সাহাবীদের পরিজনদের কথা বলেছে, যারা গৃহে বসে তাদের ফিরে আসার অপেক্ষা করছিল।অষ্টম হিজরিতে মক্কা বিজয়ের পর সাহাবীরা পুনরায় নিজ মাতৃভুমিতে এসে ফেলে আসা সন্তান সন্ততি ও পরিবার পরিজনদের সাথে মিলিত হবার সুযোগ পায়।

 

(৩১)ভবিষ্যপুরাণে ইসলামের নবী-রাসূলগণঃ-

 

★আদম ও স্ত্রী হাওয়া (আঃ)ঃ-

 

বিষ্ণু কাদা মাটি থেকে তৈরি করলেন আদম।আদম থেকে তৈরী করলেন হাওয়া।এতে শয়তান/কলি খুবই আনন্দিত।।(শ্লোক ১৬-১৯)

 

সে সাপরূপে হাওয়াকে প্রতারিত করলো (শ্লোক-৩১)

 

গন্ধক ফল খাওয়া কারনে সকলে স্লেচ্ছ্য হয়ে গেলো।তাদেরকে কলিসহ স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করা হলো।

(শ্লোক ৩৩-৩৫)

 

(ভবিষ্যপুরাণ,প্রতিসর্গ পর্ব,খন্ড-২,স্লেচ্ছ যজ্ঞের বৃত্তান্ত,শ্লোক-১৬-১৯,৩১,৩৩-৩৫,নবভারত পাবলিশার্স)

 

★নবী নূহের বিবরনঃ-

বিষ্ণুর আজ্ঞায় স্লেচ্ছ্য নূহ বিশাল বড় নৌকা তৈরি করলেন,দেব ইন্দ্রের বর্ষনে মহাপ্লাবন সৃষ্টি 

 

(ভবিষ্যপুরাণ,প্রতিসর্গ পর্ব,খন্ড-২,স্লেচ্ছ যজ্ঞের বৃত্তান্ত,শ্লোক-৪৬-৫৪,নবভারত পাবলিশার্স)

 

★নবী মূসা বিবরনঃ-

স্লেচ্ছ্য ঋষি মূসা মৃত্যুর পর সমস্ত জগত পূজিত হয়ে গিয়েছিল অর্থাৎ পথভ্রষ্ট স্বরূপ পৌত্তলিকতা অবলম্বন।

কলি যুগ প্রাপ্তি দেবার্চন ও বেদের ভাষ্য সকলকিছু নস্ট হয়ে গিয়েছিল।

 

(ভবিষ্যপুরাণ,প্রতিসর্গ পর্ব,খন্ড-২,স্লেচ্ছ বংশ বর্ণন,শ্লোক-৩১,নবভারত পাবলিশার্স)

 

★যিশু খৃস্ট/ঈসা মসীহ এর বিবরনঃ-

কুমারী গর্ভে ঈশ্বরের পুত্র জন্মাইলো।ঈশা রাজাকে বললেন-সত্য ক্ষয়প্রাপ্ত হলে  স্লেচ্ছ্য দেশে মর্যাদাহীন হলে আমি মসীহ এসেছি।দস্যু ভয়কারী ঈশা মসীহ আবিভূত।আমি স্লেচ্ছ্য থেকে প্রাপ্ত পুনঃ মসীহত্ব প্রাপ্ত হয়েছি।.......হে ভূপতি!আমি স্লেচ্ছ্যধর্ম স্থাপন করেছি তা শ্রবণ করে মানসিক ও দৈহিক নিমর্ল হন।.....হে ভূপাল! এঔ কৃত্য দ্বারা মসীহা লয় প্রাপ্ত হয়।ঈশ্বরের মূর্তি হৃদয়ে ধান করে ঈশা মসীহ নামে আমি প্রতিষ্ঠিত হয়েছি

 

(ভবিষ্যপুরাণ,প্রতিসর্গ পর্ব,খন্ড-২,ভরতখন্ডে অষ্টাদশ রাজ্যস্থান বর্ণন,শ্লোক-২১-৩৪,নবভারত পাবলিশার্স)

 

(৩২)এব্রাহামিকধর্মে নবী মূসা আদলে পৌরনিক কৃষ্ণঃ-

 

রমেশদত্তের অনুবাদ করা বেদে বর্ণিত কৃষ্ণ একজন কৃষ্ণবর্ণ অসুর।অংশমতী নদীর তীরে তার অবস্থান।তার সাথে ইন্দ্র দেবের যুদ্ধ হয়।

(ঋগ্বেদ ১/১৩০/১,৮,৯ এবং ৮/৯৬/১৩-২১)

 

বেদে বর্ণিত কৃষ্ণ পুরাণে হয়ে গেলো মূসা আদলে শ্রী কৃষ্ণ।চলুন মূসা ও শ্রী কৃষ্ণকে মিলিয়ে দেখিঃ-

 

১)কৃষ্ণের শত্রু রাজা কংসই প্রকৃতপক্ষে মূসা(আ) এর শত্রু ফেরাউন!

 

কৃষ্ণের শত্রু রাজা কংসই প্রকৃতপক্ষে মূসা(আ) এর শত্রু ফেরাউন!

 

কংস ও ফেরাউন,দুজনেই দৈববাণী মারফত অগ্রিম জানতে পারেন এক বিশেষ পুত্রসন্তানের হাতে তাদের মৃত্যু হবে।

 

কৃষ্ণের জন্ম আটকানোর জন্য রাজা কংস দেবকীর সকল পুত্রসন্তানকে হত্যা করে।

 

মুসা(আ) এর জন্ম আটকানোর জন্যও ফেরাউন বনি ইস্রাইলদের সকল পুত্রসন্তানকে হত্যা করে।

 

ফেরাউন ভারতবর্ষে কংস রূপে চিত্রায়িত হয়েছে

 

২)শিশু অবস্থায় ভেলায় ভাসানোঃ-

 

কৃষ্ণ ও মূসা(আ),দুজনকেই জন্মের পর জলে ভাসিয়ে পালক পিতা-মাতার কাছে পৌঁছানো হয়।সেখানেই তারা বেড়ে উঠেন।ফেরাউনের ভয়ে জন্মের পর মূসা(আ)কে তাঁর মা ঝুড়িতে রেখে জলে ভাসিয়ে দেন এবং লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে থাকেন ঝুড়িটি জলে ভেসে কোথায় যায়।ঝুড়িটি ভাসতে ভাসতে ফেরাউনের স্ত্রীর স্থান করার ঘাট পর্যন্ত পৌঁছালো।শিশুটিকে দেখে ফেরাউনের স্ত্রীর মায়া জন্মে এবং তিনি শিশুটিকে নিজের কাছেই রেখে দেন।এভাবে মূসা(আ) পালক পিতা-মাতার কাছে বড় হন।অপরদিকে কৃষ্ণের ক্ষেত্রেও প্রায় একই ঘটনা।রাজা কংসের ভয়ে পিতা বাসুদেব জলে ভাসিয়ে কৃষ্ণকে নন্দ ও নন্দের স্ত্রী যশোদার ঘরে দিয়ে আসেন।পালক পিতা-মাতার কাছেই কৃষ্ণ বড় হন।

 

৩)সাপ নিয়ে মুজেজাঃ-

 

কৃষ্ণ ও মূসা(আ),দুজনকেই জন্মের পর জলে ভাসিয়ে পালক পিতা-মাতার কাছে পৌঁছানো হয়।সেখানেই তারা বেড়ে উঠেন।ফেরাউনের ভয়ে জন্মের পর মূসা(আ)কে তাঁর মা ঝুড়িতে রেখে জলে ভাসিয়ে দেন এবং লুকিয়ে লুকিয়ে দেখতে থাকেন ঝুড়িটি জলে ভেসে কোথায় যায়।ঝুড়িটি ভাসতে ভাসতে ফেরাউনের স্ত্রীর স্থান করার ঘাট পর্যন্ত পৌঁছালো।শিশুটিকে দেখে ফেরাউনের স্ত্রীর মায়া জন্মে এবং তিনি শিশুটিকে নিজের কাছেই রেখে দেন।এভাবে মূসা(আ) পালক পিতা-মাতার কাছে বড় হন।অপরদিকে কৃষ্ণের ক্ষেত্রেও প্রায় একই ঘটনা।রাজা কংসের ভয়ে পিতা বাসুদেব জলে ভাসিয়ে কৃষ্ণকে নন্দ ও নন্দের স্ত্রী যশোদার ঘরে দিয়ে আসেন।পালক পিতা-মাতার কাছেই কৃষ্ণ বড় হন।

 

৪)পানি দুভাগ করনঃ-

 

মূসা(আ) ও শ্রী কৃষ্ণ দুজনেই জলকে দুভাগ করেছিলেন।মূসা(আ) লোহিত সাগরকে দ্বিখণ্ডিত করে মাঝখান দিয়ে পথ সৃষ্টি করেন।অপরদিকে কৃষ্ণও যমুনা নদী দ্বিখণ্ডিত করে মাঝখান দিয়ে পথ সৃষ্টি করেন।অদ্ভূত মিল পরিলক্ষিত হয় মূসা(আ) ও শ্রী কৃষ্ণের জীবনীতে।

 

৫)শ্রী কৃষ্ণ গোবর্ধন পর্বত নিজ হাতে আংগুলে উত্তোলন করছেন,একইভাবে মূসা (আঃ) তুর পর্বতকে হাতে উপর তুলে ধরলেন আল-কুরানে বর্ণিত (২/৬৩)

 

৬)কৃষ্ণ শব্দের অর্থ-কালো/শ্যাম,নীল।স্বাভাবিক কোনো মানুষ নীল হয়না।শ্রী কৃষ্ণকে শ্যামা দেবতা বলা হয়।অনুরূপ হাদিসে বর্ণিত নবী মূসা গায়ের রং শ্যাম বর্ণের(বুখারী হা-৫৯১৩)

 

★মূলকথাঃ-

নবী মূসা মারা যাবার পর ইহুদি পথভ্রষ্ট হয় এবং পৌত্তোলিকতা অবলম্বন করে।এর শাস্তি স্বরূপ সদাপ্রভু তাদেরকে জেরুজালেম থেকে তাড়িয়ে দেন শত্রুদের দ্বারা।ফলে ইহুদিরা যাযাবরের মতো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে।সুপ্রচীনকালে ইহুদি সেই অংশে ভারতে আসে।ফলে পৌরনিকতায় মূসা আদলে কৃষ্ণ চরিত্র উদ্ভব।ইহুদিদের বিভিন্ন ওয়েব সাইট ও উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায় যাযাবর ইহুদিরা ভারতে এসেছিলো,আর্যদের আগে থেকে।

 

(৩৩)এব্রাহামিক ধর্মে বিগ ব্যাং চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★কোরানে বলাঃ-

কাফেররা কি ভেবে দেখে না যে, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর একত্রিত ছিল, অতঃপর আমি উভয়কে পৃথক করে দিলাম এবং প্রাণবন্ত সবকিছু আমি পানি থেকে সৃষ্টি করলাম। এরপরও কি তারা বিশ্বাস স্থাপন করবে না?

(সূরাঃ আম্বিয়া, আয়াতঃ ৩০)

 

★বেদে বলাঃ-

সেই সুধীর পিতা উত্তমরূপে দৃষ্টি করে মনে মনে আলোচনা করে জলাকৃতি পরস্পর সম্মিত হয়ে এ দ্যাবা পৃথিবী সৃষ্টি করলেন।যখন চতুঃসীমা ক্রমশ দূর হয়ে উঠলো।তখন দুল্যোক ও ভূলোক পৃথক হয়ে গেলো 

(ঋগ্বেদ ১০/৮২/১)

 

(৩৪)এব্রাহামিক ধর্ম ঈশ্বরের সিংহাসন তত্ব চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

কোন ব্যক্তিই আমাদের প্রভু ঈশ্বরের মত নয়। ঈশ্বর স্বর্গের উঁচু আসনে বসেন।

 

গীতসংহিতা 113:5 BERV

https://bible.com/bible/3150/psa.113.5.BERV

 

★কোরানে বর্ণিত সিংহাসনঃ-

আল্লাহর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান।

(সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ২৫৫)

 

★ কোরানে বর্ণিত আরশঃ-

 

নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ। তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর আরশের উপর অধিষ্টিত হয়েছেন। তিনি পরিয়ে দেন রাতের উপর দিনকে এমতাবস্থায় যে, দিন দৌড়ে রাতের পিছনে আসে। তিনি সৃষ্টি করেছেন সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্র দৌড় স্বীয় আদেশের অনুগামী। শুনে রেখ, তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ দান করা। আল্লাহ, বরকতময় যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক।

(সূরাঃ আল আ'রাফ, আয়াতঃ ৫৪)

 

★বেদে বর্ণিত আরশঃ-

ঈশ্বর মহাবিশ্ব সৃষ্টি করলেন এবং এর উপর অবস্থান করেন প্রভু।তিনি আগে থেকে বিদ্যমান।বিশ্বের থেকে আলাদা হন এবং পরে পৃথিবী ও মানবদেহ সৃষ্টি করেন

(সামবেদ পূর্বাচিকা,অরন্যপর্ব ৪/৭,গ্রিফিথ ভাষ্য)

 

★বৈদিক ঈশ্বরের সিংহাসন বিদ্যমান(ভগবত পুরাণ ২/৯/১৬)

 

(৩৫)এব্রাহামিক ধর্মে অসহায়দের অন্নদান তথ্যচুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

যদি তুমি ক্ষুধার্তকে নিজের অন্ন দাও এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির সব প্রয়োজন মিটিয়ে দাও, তখন তোমার জ্যোতি অন্ধকারে উদিত হবে এবং তোমার রাত্রি দুপুরবেলার মতো হবে।

যিশাইয় 58:10 BCV

https://bible.com/bible/2412/isa.58.10.BCV

 

★কোরানে বলা-

তারা আল্লাহর প্রেমে অভাবগ্রস্ত, এতীম ও বন্দীকে আহার্য দান করে।

(সূরাঃ আদ-দাহর, আয়াতঃ ৮)

 

★বেদে বলা-

৩। কোন কৃশ ব্যক্তি অন্নলোভে আসিয়া ভিক্ষা করিলে, যিনি অন্ন দান করেন, তিনি ভোজ, অর্থাৎ দাতা। তাঁহার সম্পূর্ণ যজ্ঞফল লাভ হয়, শক্তগণের মধ্যে তিনি মিত্র লাভ করেন।

(ঋগ্বেদ ১০/১১৭/৩)

 

(৩৬)এব্রাহামিক ধর্মে গনিমত তত্ত্ব চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

যদি তারা সন্ধি করতে রাজি না হয় এবং তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে, সেই নগর তোমরা অবরোধ করবে। তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু যখন সেই নগরটি তোমাদের হাতে তুলে দেবেন, তখন সেখানকার সমস্ত পুরুষকে তোমরা তরোয়ালের আঘাতে মেরে ফেলবে। সেই নগরের স্ত্রীলোক, ছেলেমেয়ে, পশুপাল এবং অন্য সবকিছু তোমরা লুটসামগ্রী হিসেবে নিজেদের জন্য নিয়ে নেবে। শত্রুদের দেশ থেকে লুট করা যেসব জিনিস তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাদের দেবেন তা তোমরা ভোগ করতে পারবে। কিন্তু তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু সম্পত্তি হিসেবে যেসব জাতির নগর তোমাদের দিতে যাচ্ছেন সেখানকার কাউকেই তোমরা বাঁচিয়ে রাখবে না।

দ্বিতীয় বিবরণ 20:12‭-‬14‭, ‬16 BCV

https://bible.com/bible/2412/deu.20.12-16.BCV

 

★হাদিসে বলাঃ-

ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) গনিমতের মধ্যে দুই অংশ অশ্বরোহী যোদ্ধার জন্য এবং এক অংশ সৈনিকের জন্য নির্ধারণ করেছেন। 

 

সহীহ্‌, ইবনু মা-জাহ (২৮৫৪), নাসা-ঈ

 

জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ১৫৫৪

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

জাবির বিন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে জীবিত থাকা অবস্থায় আমরা আমাদের যুদ্ধবন্দিনী ক্রীতদাসী ও উম্মু ওয়ালাদ বিক্রয় করতাম। আমরা এটিকে দুষণীয় মনে করতাম না। [২৫১৭]

 

ফুটনোটঃ

[২৫১৭] আবূ দাউদ ৩৯৫৪। সহীহাহ ২৪১৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। 

 

সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ২৫১৭

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

★মনুসংহিতায় বলাঃ-

 

যুদ্ধে বিজয়ীদের দখলে হাতি, ঘোড়া,গবাদিপশু এমনকি নারীও তার দখলে

(মনুসংহিতা ৭/৯৬)

 

যুদ্ধে অর্জিত মাল রাজাকে অর্পিত করবে,যুদ্ধের বাহনও তাকে দিবে এটাই বৈদিক শ্রুতি। রাজা নির্ধারিত অংশ সৈন্যদেরকে দান করবেন

(মনুসংহিতা ৭/৯৬)

 

সাতপ্রকার দাসদের মধ্যে অন্যতম হলো

যে দাস/দাসীকে অর্থের বিনিময়ে কেনা হয় তাকে কৃতদাস/কৃতদাসী বলে গণ্য

(মনুসংহিতা ৮/৪১৫)

 

(৩৭)এব্রাহামিক ধর্মে দাসপ্রথা তত্ত্ব চুরিঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

দাসের সন্তান দাস হবেঃ-

“যদি তুমি কোনও হিব্রু দাসকে কিনে এনেছ, তবে সে ছয় বছর তোমার সেবা করুক। কিন্তু সপ্তম বছরে, সে স্বাধীন হয়ে চলে যাবে, তাকে কোনও অর্থ খরচ করতে হবে না। সে যদি একা এসেছে, তবে সে একাই স্বাধীন হয়ে চলে যাক; কিন্তু আসার সময় যদি তার স্ত্রী তার সঙ্গে ছিল, তবে সেও তার সঙ্গে যাক। তার মালিক যদি তাকে এক স্ত্রী দেন এবং সেই স্ত্রী তার জন্য ছেলে বা মেয়েদের জন্ম দেয়, তবে সেই মহিলা ও তার সন্তানেরা তার মালিকের অধিকারভুক্ত হবে, এবং শুধু সেই পুরুষটিই স্বাধীন হয়ে চলে যাবে।

যাত্রা পুস্তক 21:2‭-‬4 BCV

https://bible.com/bible/2412/exo.21.2-4.BCV

 

★মনুসংহিতায় বলাঃ-

প্রভু শুদ্রকে দাসত্ব থেকে মুক্তি দিলেও সে কর্ম থেকে মুক্তি পাবে না।দাসত্ব তার স্বভাব সিদ্ধ কর্ম।

(মনুসংহিতা ৮/৪১৪)

 

শুদ্র দাস হলে এবং শুদ্রানী দাসী হবে এটাই স্বাভাবিক।

 

সাতপ্রকার দাসদের মধ্যে অন্যতম হলো

দাসী গর্ভে যে সন্তান তা গর্ভদাস এবং পৈতৃক দাস যা বংশানুক্রমে।

(মনুসংহিতা ৮/৪১৫)

 

(৩৮)এব্রাহামিক ইহুদি ধর্মে কন্যা সন্তান সম্পদ পাবেনা তত্বটি চুরি করে হিন্দুধর্মঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

“সুতরাং ইস্রায়েলের লোকদের জন্য এটিকে বিধি করে নাও। ‘যদি কোন ব্যক্তির কোনো পুত্র সন্তান না থাকে এবং সে মারা যায়, তাহলে তার যা কিছু আছে সে সব কিছুই তার মেয়েকে দেওয়া হবে। যদি তার কোনো মেয়ে না থাকে, তাহলে তার সমস্ত কিছুই তার ভাইদের দেওয়া হবে। যদি তার পিতার কোনো ভাই না থাকে তাহলে তার যা কিছু আছে সে সমস্তই তার পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়কে দেওয়া হবে। ইস্রায়েলের লোকদের জন্য এটিই আইন। প্রভু মোশিকে এই আদেশ দিলেন।’”

গণনাপুস্তক 27:8‭-‬11 BERV

https://bible.com/bible/3150/num.27.8-11.BERV

 

★বেদে বলাঃ-

ঔরসপুত্র দুহিতা(কন্যা)কে পৈতৃক ধন(সম্পতি) দেন না

(ঋগবেদ ৩/৩১/২)

 

(৩৯)এব্রাহামিক ধর্মে কর্মফল অনুযায়ী স্বর্গনরক কপি করছে হিন্দু ধর্মঃ-

 

★কোরানে বলাঃ-

যে লোক পুরুষ হোক কিংবা নারী, কোন সৎকর্ম করে এবং বিশ্বাসী হয়, তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রাপ্য তিল পরিমাণ ও নষ্ট হবে না।

(সূরাঃ আন নিসা, আয়াতঃ ১২৪)

 

আর যারা সঞ্চয় করেছে অকল্যাণ।অসৎ কর্মের বদলে সে পরিমাণ অপমান তাদের চেহারাকে আবৃত করে ফেলবে। কেউ নেই তাদেরকে বাঁচাতে পারে আল্লাহর হাত থেকে। তাদের মুখমন্ডল যেন ঢেকে দেয়া হয়েছে আধাঁর রাতের টুকরো দিয়ে। এরা হল দোযখবাসী। এরা এতেই থাকবে অনন্তকাল।

(সূরাঃ ইউনুস, আয়াতঃ ২৭)

 

★বেদে বলা-পূন্য কর্মের দ্বারা  স্বর্গ স্থান, পাপের ফল নরক।এবং পাপপূন্য মিশ্রিত কর্মের ফলে এ ভূলোকে সুখদুঃখ ভোগ লাভ করে।

(অর্থববেদ কান্ড-১১/অনুবাক-৪/সূক্ত-৬/মন্ত্র-১২,অনুবাদক-শ্রী বিজনবিহারী গোস্বামী)

 

(৪০)এব্রাহামিক ধর্মে বেদায়েত তত্ব চুরি করছে হিন্দুধর্মঃ-

 

ধর্মে নতুন কিছু সংযোজন কিংবা ধর্মে নামে ধর্মবর্হিভূত কাজকে ধর্মীয় বৈধতাকরন দেয়াকে বেদায়েত বলে।

 

★বাইবেলঃ-

যীশু তাঁদের বললেন, “ভণ্ডরা, ভাববাদী যিশাইয় তোমাদের বিষয়ে ঠিকই বলেছেন, যেমন লেখা আছে, ‘এই লোকেরা মুখেই শুধু আমাকে সম্মান করে, কিন্তু তাদের মন আমার থেকে অনেক দূরে থাকে। এরা অনর্থক আমার উপাসনা করে। কারণ এরা মানুষের তৈরী রীতি-নীতি ঈশ্বরের আদেশ বলে লোকদের শিক্ষা দেয়।’ তোমরা ঈশ্বরের আদেশ অমান্য করে মানুষের প্রচলিত প্রথা পালন করে থাকো।”

মার্কলিখিত সুসমাচার 7:6‭-‬8 BERV

https://bible.com/bible/3150/mrk.7.6-8.BERV

 

★হাদিসে বলাঃ-

আবূ নাজীহ্ আল-'ইরবাদ ইবন সারিয়াহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক বক্তৃতায় আমাদের উপদেশ দান করেন যাতে আমাদের অন্তর ভীত হয়ে পড়ে ও আমাদের চোখে পানি এসে যায়।

 

আমরা নিবেদন করিঃ হে আল্লাহর রাসূল! মনে হচ্ছে বিদায়কালীন উপদেশ; আপনি আমাদেরকে অসীয়াত করুন। তিনি বললেনঃ "আমি তোমাদের মহান আল্লাহকে ভয় করতে অসীয়াত করছি, আর আনুগত্য দেখাতে অসীয়াত করছি; যদি কোন গোলামও তোমাদের শাসক হয় তবুও। তোমাদের মধ্যে যারা বেঁচে থাকবে তারা অনেক মতবিরোধ দেখবে; সুতরাং তোমরা আমার সুন্নাত ও হেদায়াতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদ্বীনের পদ্ধতি মেনে চল, তা দাঁত দিয়ে (অর্থাৎ খুব শক্তভাবে) ধরে রাখ; আর অভিনব বিষয় সম্পর্কে সাবধান থাক, কারণ প্রত্যেক অভিনব বিষয় হচ্ছে বিদ'আত, প্রত্যেক বিদ'আত হচ্ছে গোমরাহী এবং প্রত্যেক গোমরাহীর পরিণাম হচ্ছে জাহান্নামের আগুন।" [আবূ দাউদ(৪৬০৭) ও তিরমিযী(২৬৬) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন যে, এটা সহীহ্ (হাসান) হাদীস।]

  

 

৪০ হাদিস, হাদিস নং ২৮

হাদিসের মান: হাসান সহিহ

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

★গীতায় বলাঃ-

 

যঃ শাস্ত্রবিধিমুত্সৃজ্য বর্ততে কামকারতঃ৷

ন স সিদ্ধিমবাপ্নোতি ন সুখং ন পরাং গতিম্৷৷২৩॥

 

অর্থ:  কিন্তু শাস্ত্রবিধি পরিত্যাগ করে যে কর্মেলিপ্ত বর্তমান থাকে, সে সিদ্ধি বা সুখ বা পরমগতি লাভ করতে পারে না।

 

তস্মাচ্ছাস্ত্রং প্রমাণং তে কার্যাকার্যব্যবস্থিতৌ৷

জ্ঞাত্বা শাস্ত্রবিধানোক্তং কর্ম কর্তুমিহার্হসি৷৷২৪॥

 

অর্থ:  অতএব, কর্তব্য ও অকর্তব্য নির্ধারণে শাস্ত্রই একমাত্র প্রমাণ। অতএব শাস্ত্রীয় বিধি নিষেধের স্বরুপ জেনে কর্ম করা উচিত যাতে পরমার্থিক উন্নতি লাভ করা যায়।

 

(গীতা ১৬/২৩-২৪)

 

(৪১)এব্রাহামিকধর্মে আদম তত্ত্ব চুরি করে হিন্দুধর্মে মনুতে রূপান্তরঃ-

 

★বাইবেলে বলাঃ-

 

এই হল আদমের বংশাবলির লিখিত নথি। ঈশ্বর যখন মানবজাতিকে সৃষ্টি করলেন, তখন তিনি তাদের ঈশ্বরের প্রতিমূর্তিতেই তৈরি করলেন।

আদি পুস্তক 5:1 BCV

https://bible.com/bible/2412/gen.5.1.BCV

 

★কোরানে বলাঃ-

এরাই তারা-নবীগণের মধ্য থেকে যাদেরকে আল্লাহ তা’আলা নেয়ামত দান করেছেন। এরা আদমের বংশধর এবং যাদেরকে আমি নূহের সাথে নৌকায় আরোহন করিয়েছিলাম, তাদের বংশধর, এবং ইব্রাহীম ও ইসরাঈলের বংশধর এবং যাদেরকে আমি পথ প্রদর্শন করেছি ও মনোনীত করেছি, তাদের বংশোদ্ভূত। তাদের কাছে যখন দয়াময় আল্লাহর আয়াতসমূহ পাঠ করা হত, তখন তারা সেজদায় লুটিয়ে পড়ত এবং ক্রন্দন করত।

(সূরাঃ মারইয়াম, আয়াতঃ ৫৮)

 

★বেদে বলাঃ-

হে দেবগন!পিতা মনু হতে আগত পথ থেকে আমাদের পথভ্রষ্ট করো না

(ঋগ্বেদ ৮/৩০/৩)

 

(৪২)এব্রাহামিক ধর্মে প্রধান অস্ত্র ছিল তালোয়ার।সেটাই পুজি করে হিন্দুশাস্ত্রে হলো যুদ্ধ অস্ত্রঃ-

 

★বাইবেলে বলা

হে ইস্রায়েল, তুমি ধন্য! তোমার মতো কে, যে জাতিকে সদাপ্রভু রক্ষা করেছেন? তিনি তোমার ঢাল ও সাহায্যকারী এবং তোমার গৌরবজনক তরোয়াল। তোমার শত্রুরা তোমার সামনে ভয়ে জড়সড় হয়ে থাকবে, আর তুমি তাদের উচ্চস্থলী পদদলিত করবে।”

দ্বিতীয় বিবরণ 33:29 BCV

https://bible.com/bible/2412/deu.33.29.BCV

 

★হাদিসে বলাঃ-

আবূ বাক্র ইবনে আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

 

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, “নিঃসন্দেহে জান্নাতের দ্বারসমূহ তরবারির ছায়াতলে রয়েছে।” (মুসলিম ৫০২৫ নং)

  

 

হাদিস সম্ভার, হাদিস নং ১৯২৭

হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD

 

★বেদে বলাঃ-

 

 “তার প্রতি শ্রদ্ধা, যার রয়েছে তলোয়ার, তীর। তার প্রতি সন্মান যার রয়েছে ধারালো অস্র। তার প্রতি খাদ্য নিবেদন যার রয়েছে ভাল অস্র।”

 

(যজুর্বেদ ১৬/৩৬,)

Share this:

More articles

◾মহানবী মুহাম্মদ সা: তার ৬৩ বছর ৪ দিনের জীবনে মোট ১১টি বিবাহ করেন। রাসূল (সা.) এর ১১ জন স্ত্রীদের মধ্যে দশ জনই ছিলেন হয় বিধবা না হয় তালাক প্রাপ্তা। যথাক্রমে, ◾খাদিজা (রা:)। ◾সওদা বিনতে জামআ (রা:)। ◾আয়েশা বিনতে আবু বকর (রা:)। ◾হাফসা বিনতে ওমর (রা:)। ◾যয়নব বিনতে খোযায়মা (রা:)। ◾উম্মে সালমা হিন্দ বিনতে আবু উমাইয়া (রা:)। ◾যয়নব বিনতে জাহাশ ইবনে রিয়াব (রা:)। ◾যুয়াইরিয়া বিনতে হারেস (রা:)। ◾উম্মে হাবিবা বিনতে আবু সুফিয়ান (রা:)। ◾সাফিয়া বিনতে হুয়াই (রা:)। ◾মায়মুনা বিনতে হারেস (রা:)।  ◾খাদিজা (রা:) - মদি....
20 Min read
Read more
যিহুদা নাকি প্রিয় শিষ্য সারজাস অথবা যিশু কি প্রকৃত ক্রুশবিদ্ধ? জবাব: এই প্রশ্নের জবাব তিন জায়গা থেকে নেয়া হবে তা হলো: i) তাফসির। ii) বার্নাবাস বাইবেল। iii) চার্চ প্রদত্ত বাইবেল। এবার আলোচনা- তাফসির আল্লাহ বলেন: ইহুদিরা বলে "নিশ্চয়ই আমরা আল্লাহর রসুল মরিয়মের পুত্র ঈসাকে হত্যা করেছি" তাদের এই উক্তি কেবল তাদের জন্য। তবে তারা তাকে হত্যা করেনি, ক্রুশবিদ্ধও করেনি, কেবল তাদের জন্য সদৃশ করা হয়েছিলো আর যারা এই বিষয়ে মতভেদ করেছিল তারা সন্দেহে পড়েছিল। শুধু অনুমান ব্যতীত কোন জ্ঞানই ছিল না। এটা নিশ্চিত যে ত....
17 Min read
Read more
প্রাকৃতিক নির্বাচন এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোন প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলো জনগোষ্ঠীতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। এটি ডারউইনীয় বিবর্তনের অন্যতম চালিকাশক্তি। দৈব ঘটনার সম্ভাবনা চেপে যাওয়া জেনেটিক ড্রিফট প্রাকৃতিক নির্বাচনকে গণিতের মত নির্দিষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয় যে, শক্তিশালী জীব টিকে থাকবে। কিন্তু এখানে আকস্মিক ঘটনাকে উপেক্ষা করা হয়। যেমন : হঠাৎ কোন দুরারোগ্য মহামারীর আগমন, অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে দীর্ঘ শীতকালীন শৈত্যপ্রবাহ কিংবা বর্ষায় সুবিস্স্তৃৃত ভয়ানক প্লাবন যা সেসব জ....
4 Min read
Read more
নাস্তিকসহ কিছু মডারেট মুসলিমদেরকেও বলতে শুনা যায় যে, ইসলামে গান-বাজনা কেন নিষিদ্ধ! গান-বাজনা শুনতে সমস্যা কোথায়! এই লেখাটিতে গান-বাজনার ক্ষতিকর দিক, ইসলামে গান-বাজনা হারাম হওয়ার রেফারেন্স এবং কেন গান-বাজনা হারাম তা তুলে ধরা হয়েছে।  আল-কোরআনে গান-বাজনা হারাম  ● মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِي لَهْوَ الْحَدِيثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيلِ اللَّهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا ۚ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِينٌ একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ কর....
17 Min read
Read more
অজ্ঞতা : ইসলামে তালাকের অধিকার শুধু পুরুষদের দেয়া হয়েছে। নারীকে তালাক দেয়ার অধিকার দেয়া হয়নি।নারীর ইচ্ছা অনিচ্ছার কোন মূল্য নাই এই ধর্মে। অজ্ঞতার জবাব: ইসলামে নারীরা ও তালাক দিতে পারে: তালাক শব্দের অর্থ হচ্ছে বিয়ে বিচ্ছেদ। আর ইসলামি শরিয়তে তালাক নিকৃষ্ট কাজ বলে সাব্যস্ত করা হয়েছে। রাসূল সা: এক হাদিসে বলেন , “তালাক হচ্ছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট হালাল কাজ।” [১] ইসলামে তালাক দেওয়ার ক্ষমতা শর্ত সাপেক্ষে নারী পুরুষ উভয়কে দেওয়া হয়েছে। তবে নারী ও পুরুষের তালাকের মধ্য কিছুটা পার্থক্য আছে । নারী পুরুষের তালাক দে....
5 Min read
Read more
🖋️লেখক:- Nebuda Khan   ◼️নাস্তিক প্রশ্নঃ কুরআনের উত্তরাধিকার সম্পত্তি বণ্টনে কেনো এমন ভুল থাকবে (কুরআন ৪:১১-১২)? একজন সৃষ্টিকর্তার পক্ষে কি মানুষের মত কোনরূপ ভুল হওয়া আদৌ সম্ভব? স্ত্রীঃ ১/৮ = ৩/২৪; কন্যাঃ ২/৩ = ১৬/২৪; পিতাঃ ১/৬ = ৪/২৪; মাতাঃ  ১/৬ =  ৪/২৪;   মোট=২৭/২৪  = ১.১২৫ (যা ১ এর চেয়েও বেশি)   ➡ জবাব:-   ◼️কুরআনে আসলে কি বলা হয়েছে?   => সূরা নিসার ১১ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে কেবল ২ বা ততোধিক কন্যা থাকলে তারা পাবে মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ।আর মৃত ব্যাক্তির পিতা-মাতা প্রত্যেকে পাবে ১/৬ অংশ করে। ....
7 Min read
Read more